ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের শঙ্কা কেটেছে, উপকূল এখন শান্ত | Daily AjKaler Kontho

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের শঙ্কা কেটেছে, উপকূল এখন শান্ত


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৫, ২০২২, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের শঙ্কা কেটেছে, উপকূল এখন শান্ত

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব কাটতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে জেলার ৩৪৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিলেন ৭৩ হাজার ২০০ মানুষ।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষেরা নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে বেশি আঘাত না হেনেই বাগেরহাটের উপকূল অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ কারণে সব সমুদ্রবন্দর থেকে বিপৎসংকেত নামানো হয়েছে। এর পরিবর্তে এখন ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

জানা গেছে, সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও ঝড়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতবাড়িও। তবে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে জেলার প্রায় সব এলাকার আবহাওয়া রোদ্রউজ্জল হতে শুরু করে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান বলেন, বাগেরহাট জেলার ৩৪৪ আশ্রয় কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ২০০ মানুষ এসেছিল। ইতোমধ্যে ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করা হচ্ছে।

আজকালের কন্ঠ /আর