সিলেট প্রতিনিধি : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রথমে জুলেখা জুলি ও তারপর তার স্বামী জুবায়ের হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ঢাকার আজমপুরের এক তরুণীর। সিলেটে এই দম্পতির বাসায় বেড়াতে আসার পর জুলির সহযোগিতায় তার স্বামীসহ কয়েকজনের ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ওই তরুণী।
মঙ্গলবার দুপুরে মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় জুবায়ের ও জুলিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুনামগঞ্জের হাছননগরের জুনু মিয়ার ছেলে জুবায়ের হোসেন, তার স্ত্রী জুলেখা জুলি ও সিলেট সদর উপজেলার নাজিরেরগাঁও গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে জয়নাল মিয়াকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্য দুজনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এসএমপি এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘ফেসবুকে জুলেখার সঙ্গে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর। স্বামী পরিত্যক্তা ওই তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহে। তিনি ঢাকার আজিমপুরে থাকেন। তিনি বান্ধবীর আমন্ত্রণে সিলেট ঘুরতে এসে বান্ধবীর সহযোগিতায় ধর্ষণের শিকার হন।’
ওসি আরো বলেন, ‘শুক্রবার রাত ৯টা থেকে রোববার রাত প্রায় ৩টা পর্যন্ত নাজিরেরগাঁওয়ের জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী জুলেখার ঘরে ভুক্তভোগীকে আটকে রাখে দুই দফায় সাতজন ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। আর এর সহযোগিতায় ছিলেন জুলেখা।’
এসএমপি উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘ভুক্তভোগীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে জুবায়ের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি দুজনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযানে রয়েছে।’
আজকালের কন্ঠ /রাকিব
আপনার মতামত লিখুন :