দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ঘোড়াঘাটে ৩৬ মণ্ডপে ২৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন | Daily AjKaler Kontho

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ঘোড়াঘাটে ৩৬ মণ্ডপে ২৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন


ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ঘোড়াঘাটে ৩৬ মণ্ডপে ২৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩৬টি পূজামণ্ডপে ২৪৩ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করা এসব সদস্য আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল বজায় রাখতে এ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এবং দিনাজপুর জেলা কমান্ড্যান্ট মো. নুরুজ্জামান, পিভিএমের দিকনির্দেশনায় এ নিরাপত্তাব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মোতায়েন করা ২৪৩ জন সদস্যের মধ্যে রয়েছেন ৯ জন প্লাটুন কমান্ডার (পিসি), ৩৬ জন সহকারী প্লাটুন কমান্ডার (এপিসি), ১৬২ জন পুরুষ ভিডিপি সদস্য এবং ৭২ জন মহিলা সদস্য।

নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলার ৯টি পূজামণ্ডপকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করতে আটজন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে মোকাবিলায় দিনাজপুর জেলায় ব্যাটালিয়ন আনসারের স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, পূজারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।