লালমনিরহাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৩ লাক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও ধর্ষণের অভিযোগ | Daily AjKaler Kontho

লালমনিরহাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৩ লাক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও ধর্ষণের অভিযোগ


লালমনিরহাট প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৩ লাক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও ধর্ষণের অভিযোগ

সব মানুষই জীবনে কারো না কারো প্রেমে পরেন। প্রেম মানে না জাতি ধর্ম, প্রেম মানে না সমাজ, প্রেম মানে না বয়সের ব্যবধান, আবার কেউ বা প্রেমের টানে টাকা পয়সা ইজ্জত সবকিছু উজার করে দিয়ে আজ নিরুপায় হয়ে থানা পুলিশের দারস্ত হয়েছেন সাবিনা বেগম নামের এক ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মমিনুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মৃত: এফাজ উদ্দিনের মেয়ে সাবিনা বেগমের প্রেম সর্ম্পক গড়ে উঠে। এভাবেই প্রায় দেড় বছর ধর চলে তাদের প্রেম নামক মধুর এই সর্ম্পকটি।

এই দেড় বছরে মমিনুল ইসলাম সাবিনা বেগমকে নিয়ে ঢাকা সহ বিভিন্ন আত্নীয় স্বজনের বাড়িতে নিয়ে রাত্রি যাপন করে এবং শারীরিক সর্ম্পকে লিপ্ত হন। এমনকি মমিনুল সাবিনাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিদেশ যাওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা গ্রহন করেন। টাকা নেওয়া শেষ হলে মমিনুল সাবিনার সাথে নানান টালবাহনা শুরু করেন এবং তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে চলতি বছরের ৩ এপ্রিল মমিনুল সাবিনাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে এসে মমিনুল পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানান আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়। পরে মমিনুলের বাবা-মা সহ এলাকার লোকজন মিলে সাবিনাকে মারপিট করে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এরপর থেকে মমিনুল নিজেকে আত্নগোপন করে সাবিনার সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

এ ঘটনার পর সাবিনা নিরুপায় হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় মমিনুল সহ তার মা ও বাবার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাদ আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি