
লক্ষ্মীপুরে গত তিন মাসে হাম আক্রান্ত চার শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। একই সময়ে হাম আক্রান্ত হয়ে নয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৪ জন।
আক্রান্ত চার শিশুর মধ্যে জেলা সদরে দুইজন, কমলনগরে একজন এবং রামগঞ্জ উপজেলায় একজন শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের সবাই শিশু।
এদিকে গত ১৯ মার্চ রাজধানীর মহাখালীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নয় মাস বয়সী শিশু নুসাইবার মৃত্যু হয়। সে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম টমটা গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেনের মেয়ে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, শিশুটির হামের টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার কথা ছিল আগামী ৩০ মার্চ। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই সে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন জানান, বর্তমানে লক্ষ্মীপুরে হামের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। গত তিন মাসে চারজন শিশু শনাক্ত হয়েছে এবং একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, “শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিভাবকদের সচেতন হয়ে নির্ধারিত সময়েই শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরূপ পাল জানান, বর্তমানে হাসপাতালে হামে আক্রান্ত সাতজন শিশু ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে জ্বর, সর্দি ও কাশির উপসর্গ রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :