বিটের নদী চেকপোস্ট পার হওয়ার পর বনবিভাগ ও ৫৭ বিজিবি'র যৌথ অভিযানে সেগুন কাঠ ও বাঁশ জব্দ | Daily AjKaler Kontho

বিটের নদী চেকপোস্ট পার হওয়ার পর বনবিভাগ ও ৫৭ বিজিবি’র যৌথ অভিযানে সেগুন কাঠ ও বাঁশ জব্দ


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩০, ২০২৫, ৬:২২ অপরাহ্ন
বিটের নদী চেকপোস্ট পার হওয়ার পর বনবিভাগ ও ৫৭ বিজিবি’র যৌথ অভিযানে সেগুন কাঠ ও বাঁশ জব্দ

মো.জয়নাল আবেদীন, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি : আলীকদম ব্যাটালিয়ন ৫৭ বিজিবি ও বন-বিভাগের যৌথ অভিযানে মালিক বিহীন অবস্থায় সেগুন গোল কাঠ জব্দ করা হয়েছে। বান্দরবানের লামা বন-বিভাগের আওতাধীন মাতামুহুরী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন এলাহি, বিট কর্মকর্তা রনি পারভেজ ও অত্র রেঞ্জের স্টাফ’সহ আলীকদম উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাতামুহুরী ব্রিজের নিচ থেকে ২৪-পিস সেগুন গোল কাঠ ও ৬-শত বাঁশ জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে ৩০শে আগস্ট শুক্রবার দিবাগত রাতে আলীকদম উপজেলার মাতামুহুরী নদী পাড়ে মংচাপাড়া নামক স্থানে ৫৭বিজিবি’র একটি বিশেষ চোরাচালান বিরোধী যৌথ অভিযানে পরিচালনা করে অবৈধভাবে পাচারকৃত মোট ৩২.৭৪ ঘনফুট সেগুন গোল কাঠ মালিক বিহীন অবস্থায় জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সেগুন গোল কাঠ গুলো মাতামুহুরী রেঞ্জের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়” বাবুপাড়া বন বিট কার্যালয়ে সামনে নদী চেকপোস্ট দিয়ে রাতের আধারে মাতামুহুরী রির্জাভ হতে গাছ আর বাঁশ পাচার করা হয়। তাদের সহযোগীতা করেন নদী চেকপোস্টে বোটে দায়িত্বে থাকা ফরেস্ট স্টাফ তপন দাশ ও তার সাথে ইঞ্জিল বোটে দায়িত্বে থাকা ফরেস্ট স্টাফরা।

অভিযোগ রয়েছে” ফরেস্ট স্টাফ তপন দাশ গাছের প্রতি মুথায় ৫০টাকা আর প্রতিটি বাঁশে ৫ টাকা হারে নিয়ে সুযোগ বুঝে গভীর রাতে এসব অবৈধ কর্মকান্ড চালায় তিনি।

লামা বন বিভাগের বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান,মাতামুহুরী রিজার্ভ ফরেস্ট সংরক্ষিত এলাকা হতে বড় আকারের সেগুন গাছের চালা আসছে এমন খবর মাতামুহুরি এলাকায় বসবাসরত লোকেরা আমার কাছে খরবটি নিশ্চিত করেন। তবে বাঁশের চালা আসবে এমন তথ্য আমার কাছে ছিলনা। গাছের চালা আর বাঁশের চালা বাবুপাড়া নদী চেকপোস্ট দিয়ে কিভাবে পার হলো এটি তদন্ত করা হচ্ছে। ফরেস্ট স্টাফদের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।