নেত্রকোনা সীমান্ত দিয়ে ৩২ বাংলাদেশীকে পুশইন বিএসএফের | Daily AjKaler Kontho

নেত্রকোনা সীমান্ত দিয়ে ৩২ বাংলাদেশীকে পুশইন বিএসএফের


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুন ৪, ২০২৫, ৪:২৭ অপরাহ্ন
নেত্রকোনা সীমান্ত দিয়ে ৩২ বাংলাদেশীকে পুশইন বিএসএফের

সুশীল আচার্য্য, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুরের বিজয়পুর বিওপি’র (বর্ডার অবজারবেশন পোস্ট) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্তে মেইন পিলার ১১৪৮নং ও ১১৪৯নং এর মধ্যবর্তী জংখল এলাকা দিয়ে ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বাগমারা ক্যাম্পের সদস্য কর্তৃক ৩২জন বাংলাদেশী নাগরিককে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

বুধবার (৪ জুন) ভোররাত ৩টার দিকে বিএসএফ কর্তৃক ৩২ জন পুশইনে মধ্যে রয়েছেন নয়জন পুরুষ, ২২ জন মহিলা ও একজন শিশু।৩২ জন পুশইনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন ১১ জন। তারা হলেন- মো. রমজান আলী (১৮), নুর ইসলাম সরদার (৪২), আলম সরদার (১৮), মিরাজগাজী (২৩), রোজিনা বানু (৩৫), ছামিরা গাজি (১৪), সিরাজ গাজী (২২), ফনুফা (২০), মাসুদ সরদার (৯), মরিয়ম (১২) ও নাসরিন বেগম (৩২)।খুলনা জেলার বৈইটাঘাটনা থানাধীন মো. শাকিল ইজাদ্দার (২২), মোসা. সোনিয়া (১৯) ও হালিমা ইজ্জাদার (০২) এবং একই জেলার রূপসা থানাধীন মোসা. কবিতা খাতুন (২০), মোসা. এলিনা বেগম (৩০)।

তিনজন করে বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার। তারা হলেন- বাগেরহাটের রামপাল থানাধীন মোসা. হাসনা খাতুন (২৫), মংলা থানাধীন মোসা. মাহমুদা বেগম (২৮) ও কচুয়া থানাধীন ইভা শেখ (১৮)। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া ধানাধীন মোসা. টুম্পা খাতুন (২২), মোসা. সায়েরা খাতুন (৩০) ও আসমা খাতুন (২৮) এবং যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন মোসা. তানিয়া খাতুন (২৬), মোসা রেখা খাতুন (২৬) ও ঝিকরগাছা থানাধীন মোসাঃ পরভিনা শেখ (৩০)।

ঢাকা জেলার দুজন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ফাতেমা (২৫) ও ডেমরা থানাধীন রিতা আক্তার (৩০)। এছাড়া একজন করে রয়েছেন দিনাজপুরের কোতোয়ালী থানাধীন মো. জাকারিয়া (৩০), টাঙ্গাইলের গোপারপুর থানাধীন, মোসা. সাবিনা বেগম (৩৫), শেরপুরের নকলা থানাধীন মো. মনঞ্জুরুল ইসলাম (৩৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানাধীন জাহানারা বেগম (৪০) এবং জামালপুরের মেলান্দহ থানাধীন জুথি আক্তার (১৭)।

বিজিবি’র নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) সহকারি পরিচালক মো. আব্দুল আওয়াল এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, টাঙ্গাইল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর নড়াইল, ঢাকা, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, শেরপুর ও দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। তাদেরকে দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।