অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে জাতি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ৮টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজির মধ্য দিয়ে শুরু হলো মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান ‘মুক্তির মহানায়ক’।
জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির আয়োজনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ আতশবাজি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আজ ১০০ বছর পূর্ণ হতো। তার জন্মের শতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিদেশি অনেক মেহমানেরও। তবে করোনাভাইরাস বিশ্বপরিস্থিতি আমূল পাল্টে দেয়ায় অনুষ্ঠান সীমিত করা হয়।
জন্মক্ষণের সেই মুহূর্তটিকে স্মরণীয়-বরণীয় করে রাখতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু হওয়া আতশবাজি ছড়িয়ে যাবে সারাদেশে। উড়বে ফানুস। নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে যাবে বাঙালির মহানায়কের জন্মক্ষণের ঐতিহাসিক মুহূর্তটি। আতশবাজি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টেলিভিশনগুলোয় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। দুই ঘণ্টা চলবে মুজিববর্ষ উদযাপনের এই বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এতে অবিসংবাদিত নেতাকে স্মরণ করা হবে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার বন্ধনে। জানানো হবে হৃদয়ছোঁয়া অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যাবে কবিতা আবৃত্তি। এটি বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানার রচনা করা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থার প্রধানদের বক্তব্য প্রচারিত হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারি, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং ওআইসি মহাসচিব ইউসুফ বিন আহমেদ আল-ওথাইমানের বক্তব্য থাকছে এই অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে আরও রয়েছে মুজিব বর্ষের থিম সং, এতে কণ্ঠ দিয়েছেন শেখ রেহানা।
আপনার মতামত লিখুন :