ডিএনএ সিকোয়েন্সের মিল খুঁজবে বাকৃবির সফটওয়্যার | Daily AjKaler Kontho

ডিএনএ সিকোয়েন্সের মিল খুঁজবে বাকৃবির সফটওয়্যার


বাকৃবি প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৩, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ন
ডিএনএ সিকোয়েন্সের মিল খুঁজবে বাকৃবির সফটওয়্যার

ডিএনএ সিকোয়েন্সের মধ্যে সাদৃশ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (জিইউআই) ভিত্তিক ডেস্কটপ সফটওয়্যার তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। এ সফটওয়্যারের ব্যবহার ও উন্নয়নবিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সোমবার (২ নভেম্বর) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিস ভবনের সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় প্রধান মো. সাইদ ইফতেখার ইউসুফের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। এ ছাড়া অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন লেভেলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন সফটওয়্যারটির কার্যকারিতা ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীববিজ্ঞান, বায়োইনফরমেটিক্স, জিনোমিক্স ও কম্পিউটেশনাল বায়োলজির গবেষণায় ডিএনএ সিকোয়েন্সের তুলনা ও বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে ডিএনএ সিকোয়েন্সের সাদৃশ্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে অ্যালাইনমেন্ট-মুক্ত উন্নত অ্যালগরিদম ও সফটওয়্যার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা দ্রুত ও কার্যকর ফলাফল দিতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি দেশের বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণা, ডিএনএ সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ এবং জীববৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার উদ্ভাবনে অবদান রাখবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, সফটওয়্যারটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এটি ব্যবহার, পরিমার্জন ও হালনাগাদ করতে পারবেন। সফটওয়্যারটির ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি গবেষণার ফলাফল বাস্তবে কাজে লাগানো এবং ভবিষ্যতে সফটওয়্যারটির পেটেন্ট অর্জনের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবনী অনুদানের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির আওতায় সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে।