দুর্গাপূজা ঘিরে নীলফামারীতে এসআরবি-১৩’র নিরাপত্তা জোরদার | Daily AjKaler Kontho

দুর্গাপূজা ঘিরে নীলফামারীতে এসআরবি-১৩’র নিরাপত্তা জোরদার


ডোমার উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ন
দুর্গাপূজা ঘিরে নীলফামারীতে এসআরবি-১৩’র নিরাপত্তা জোরদার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে সাইবার মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নীলফামারী কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন এসআরবি-১৩-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু রোহানী পারভেজ রনী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে এসআরবি-১৩। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হবে।

সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের নাশকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের দিনও বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়।

এসআরবি-১৩-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা, পূজামণ্ডপে হামলা-ভাঙচুর কিংবা প্রতিমা ও পূজার উপকরণ নষ্টের ঘটনা ঘটলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও শেয়ার না করার পাশাপাশি এ ধরনের অপতৎপরতার তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। অনলাইনে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং টিম নজরদারি চালাবে।

দুর্গাপূজাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রতীক উল্লেখ করে এসআরবি-১৩ জানিয়েছে, উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।