মধ্যনগরে ১০১ জন কোরআনের হাফেজকে সংবর্ধনা | Daily AjKaler Kontho

মধ্যনগরে ১০১ জন কোরআনের হাফেজকে সংবর্ধনা


মধ্যনগর ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জুন ১, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
মধ্যনগরে ১০১ জন কোরআনের হাফেজকে সংবর্ধনা

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ১০১ জন কোরআনের হাফেজকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ইসলামি ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আব্দুস ছামাদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খোকন মোহাম্মদ রিয়ান, ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শরিফ বিন আব্দুল কুদ্দুস এর যৌথ সঞ্চালনায় এবং পরিষদের সভাপতি মামুন হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অথিতি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, প্রধান আলোচক, মাওলানা আসরাফুজ্জান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিছবাহ, প্রভাষক জহিরুল ইসলাম জহির, বংশীকুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামছুদ্দিন, দক্ষিণ উড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিউল কিবরিয়া তালুকদার, নোয়াগাও দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম, ডাক্তার আনোয়ার হোসেন, ইসলামি ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ,শুভেচছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাখিব হোসেন,সাফায়েত উল্লাহ, জিহাদুল ইসলাম, নাফিজ আহমদ,প্রমুখ। পরে কোরআনের হাফেজদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাফেজরা কোরআনের বাহক এবং সমাজের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। তাদের সম্মানিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম কোরআন শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই কোরআনের আলো সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

ইসলামি ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, কোরআনের হাফেজদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে তাদের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা প্রাপ্ত ১০১ জন হাফেজ এবং তাদের অভিভাবকদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত অতিথিরা এ ধরনের আয়োজনকে ব্যাতিক্রমধর্মী এবং ঐতিহাসিক আয়োজন বলে উল্লেখ করেন।