
অতীতের কোন সরকার গণমাধ্যমকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলেনি, এবারের সরকার গণমানুষের রক্তের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, আশাকরি এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকার হবে। তাঁরা সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন পাশ করবে। মঙ্গলবার ৩ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত সংগঠনের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সভা ও ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন সংগঠনের সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।
তিনি বলেন, জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৭ এপ্রিল সারাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা শাখা কমিটির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।
সভা থেকে সাংবাদিক নেতারা মিথ্যা মামলা, ষড়যন্ত্র ও হয়রানির শিকার কারাবন্দী সাংবাদিকদের ঈদের আগেই নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন আবুল হোসেন।
ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম, ১৮৪টি দেশ ভ্রমণকারী বিশ্ব পরিব্রাজক নাজমুন নাহার, সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ রনি, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি আছিয়া খাতুন, ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের সম্পাদক ওমর ফারুক জালাল, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ মাসুদ, বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সাংগঠনিক সচিব আবেদ আলী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষে মনজুর হোসেন এবং সংগঠনের আইন উপদেষ্টা এড. খায়ের উদ্দীন শিকদার, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি মঞ্জুর হোসেন ঈশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজাদী সুলতানা অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ, এনপিএস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, ইমিগ্রেশন জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান সজীব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য রাজু আহেমদ ও বিএমএসএফের উপ প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :