দীঘির পাড়ের সহস্রাধিক মানুষের দুর্ভোগের অবসান: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ কর্তৃক নবনির্মিত কাঠের সেতু উদ্বোধন | Daily AjKaler Kontho

দীঘির পাড়ের সহস্রাধিক মানুষের দুর্ভোগের অবসান: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ কর্তৃক নবনির্মিত কাঠের সেতু উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ন
দীঘির পাড়ের সহস্রাধিক মানুষের দুর্ভোগের অবসান: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ কর্তৃক নবনির্মিত কাঠের সেতু উদ্বোধন

বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর ০৯ নং ওয়ার্ডের দীঘির পাড় এলাকার প্রায় সহস্রাধিক মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নবনির্মিত কাঠের সেতুটির উদ্বোধন করা হয়েছে। জননেতা জনাব ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের আশ্বাসে দ্রুত শুরু হওয়া এই জনকল্যাণমূলক কাজটি সমাপ্ত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

দীর্ঘদিনের ‘মরণ ফাঁদ’ থেকে মুক্তি এই এলাকার মানুষজন দীর্ঘদিন ধরে চরম যোগাযোগ সংকটে ভুগছিলেন। চলাচলের একমাত্র পথ হিসেবে ছিল একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট, যা স্থানীয়দের কাছে ‘মরণ ফাঁদ’ হিসেবে পরিচিত ছিল। বিশেষ করে বর্ষাকালে এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতের সময় এই পথটি ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক।

জনগণের এই করুণ অবস্থা ও দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ দ্রুত এই স্থানে একটি কাঠের সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং সম্প্রতি তা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আজ, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কাঠের সেতুটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “জনগণের কল্যাণই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট আজ কিছুটা হলেও দূর হলো। একটি আধুনিক ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আমরা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ চলাচলের পথ তৈরি করতে পেরেছি, এটিই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়।”

নবনির্মিত এই সেতুটি চালু হওয়ায় দীঘির পাড় এলাকার মানুষজন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “বহু বছর ধরে আমরা এই ভাঙা কালভার্টের কারণে বিপদে ছিলাম। আমাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠানো কঠন ছিল, অসুস্থ মানুষ নিয়ে যেতে পারতাম না। ড. মাসুদ সাহেবের উদ্যোগে এত দ্রুত একটা ভালো সেতু পেলাম, আমরা তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”

এই কাঠের সেতুটি এখন সহস্রাধিক মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে। এটি কেবল যাতায়াতের সুবিধাই দেবে না, বরং স্থানীয় কৃষি পণ্য ও ছোট ব্যবসার প্রসারেও সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই জনহিতকর উদ্যোগটি সমাজে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি