
ঢাকা প্রতিনিধি: ঢাকার প্রবেশ পথ হিসেবে পরিচিত বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু চালু হয় ২০০১সালে। এই সেতুটি ২০১৩ সালে টোলমুক্ত করার ফলে এই সেতু দিয়ে অধিক পরিমাণে পার হচ্ছে যানবাহন।এই সেতু কেরানীগঞ্জের কদমতলীর আগানগর সিঁড়ি থেকে বাবুবাজার মিটফোর্ড সিঁড়ি ও নয়াবাজার এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। কিন্তু সেতুটি এখন অবৈধ যাএী বহনকারি লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যানের দখলে।এই সেতুর মধ্যখানে ঠিক সিঁড়ি বরাবর স্ট্যান্ড করে রাখা থাকে অটোভ্যান।এই অটোভ্যানে যাএী উঠা নামার কারনে যানজটে পড়তে হয় দূরদূরান্ত থেকে আসা যাএীদের।
আর এই অবৈধ যানবাহনের কারণে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। দেখা যায় যেসব যানবাহনের সেতুর ওপরে চলাচলের কোনো বৈধতা নেই, সেগুলো আবার উল্টো পথে চলে এবং কদমতলি থেকে আসা ব্যাটারিচালিত ভ্যান, অটোরিকশা ব্রিজের শেষ প্রান্তে না গিয়ে বাবুবাজার মাজারের বরাবর ডিভাইডার ভেঙ্গে ইউর্টান নিয়ে নেয়। যার কারনে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় নয়াবাজার থেকে আসা যানবাহনের । এ ছাড়াও র্দীর্ঘদিন ধরে বাবুবাজার সেতুর ওঠা-নামার জায়গায় যানজট লেগেই থাকে। এর ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দূরদূরান্ত থেকে ঢ়াকায় আসা সাধারণ মানুষের।
অন্যদিকে দেখা যায় বিকালের দিকে সেতুর ওপর বসতে শুরু করে ভিবিন্ন দরনের দোকান। এসব দোকানে ভিড় জমান আগ্রহী ক্রেতারা। ফলে সৃষ্টি হয় জনসমাগম। একদিকে গাড়ির চাপ, অন্যদিকে অবৈধ এসব দোকানের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে বাবুবাজার সেতুর উপর এর ফলে পথচারীর ও বিভিন্ন যানবাহনের চলাচলের অসুবিধা মধ্যে পড়তে হচ্ছে ও চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে বাবুবাজার সেতু।
দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের চোখের সামনেই এসব অনিয়ম হচ্ছে বলে পথচারী আরিফ হোসেনের অভিযোগ। তারা যেন চোখে কাঠের চশমা পড়ে আছেন। মাঝেমধ্যেই যানজট বহুদূর অব্দি ছাড়িয়ে য়ায়। তখন কারা ছোটাবে অবৈধ বাস স্ট্যান্ডের জট তা জানে না সাধারণ যাত্রী। নিরুপায় হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। অনেক পথচারী অভিযোগ এই লম্বা যানজট এর কারণে পথচারীদের চলারলের রাস্তায় মোটরবাইক চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারনে আরো ভোগান্তিতে পড়ে পথচারীরা।
আপনার মতামত লিখুন :