বিশ্বকাপে ড্রপ ইন পিচকে ‘নিকৃষ্ট মানের উইকেট’ | Daily AjKaler Kontho

বিশ্বকাপে ড্রপ ইন পিচকে ‘নিকৃষ্ট মানের উইকেট’


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুন ৬, ২০২৪, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
বিশ্বকাপে ড্রপ ইন পিচকে ‘নিকৃষ্ট মানের উইকেট’

স্পোর্টস ডেস্ক : ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে যৌথভাবে এবার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমবার আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে বেশ বিপত্তিতে পড়েছে দেশটি।বিশেষ করে আলোচনায় নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ‘ড্রপ ইন পিচ’। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই ভেন্যুতে আগে ব্যাট করে মোটে ৭৭ রান করতে পারে শ্রীলংকা। আর গতকাল একই ভেন্যুতে ভারতের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ড গুটিয়ে যায় মাত্র ৯৭ রানে। বিশ্বকাপের মতো আসরে প্রতিটি ক্রিকেটারই চায় নিজের সামর্থ্য প্রদর্শন করতে। কিন্তু উইকেট যদি সহায়ক না হয়, সেক্ষেত্রে সব প্রচেষ্টা মাঠেই শেষ। এই কারণে আইসিসিকে একহাত নিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন।

নিউইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচটি নিয়ে আসা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ওভাল থেকে। অর্থ্যাৎ বাইরের পিচ এনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মাঠে। কিন্তু এই ধরনের পিচে খেলতে অভ্যস্ত নয় অনেক ক্রিকেটার।

একদিকে অচেনা কন্ডিশন, আবার অন্যদিকে ‘ড্রপ ইন পিচ’। সবকিছুই ব্যাটারদের বিপক্ষে।এরইমধ্যে এই উইকেট নিয়ে নিজেদের অসন্তোষ জানিয়েছেন খ্যাতিমান ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে, সাবেক ইংল্যান্ড কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ ডু প্লেসি, ওয়াসিম জাফর এবং ইরফান পাঠান।এবার আইসিসির সমালোচনায় যোগ দিলেন মাইকেল ভন।

গত বুধবার (৫ জুন) সামাজিকমাধ্যমে নিজের এক্স একাউন্টে ভন লিখেন, ‘স্টেটসে (আমেরিকায়) ক্রিকেটকে পণ্য হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করা খুব ভালো।আমি খুব ভালো উদ্যোগ হিসেবে মনে করি।আমি এই উদ্যোগকে খুব ভালোবাসি।তবে এর পরেও একটা কথা বলব, তা হল নিউইয়র্কের এই নিকৃষ্ট মানের উইকেটে ক্রিকেটারদের খেলতে হচ্ছে, তা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।বিশ্বকাপে পৌঁছতে সবাই খুব কঠোর পরিশ্রম করে। তার পর এই ধরনের উইকেটে ম্যাচ খেলা একেবারেই মানা যায় না।

গতকাল ভারতের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড খেলতে পারে ১৬ ওভার। কখনো অসমান বাউন্স, আবার বল কখনো থেমে থেমে আসছে এই উইকেটে।আইসিসি ইভেন্টে এই ধরনের উইকেট বিব্রতকরই।শুধু এবার বিশ্বকাপ নয়, আগামী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক আয়োজন করার কথা যুক্তরাষ্ট্রের।যেখানে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে ক্রিকেট। বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের প্রসারে আইসিসি যে উদ্যোগ নিচ্ছে তাতে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে এই ধরনের উইকেট।