দেশে করোনায় একদিনে ৩৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭০৯ | Daily AjKaler Kontho

দেশে করোনায় একদিনে ৩৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭০৯


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুলাই ১৮, ২০২০, ২:৫৩ অপরাহ্ন
দেশে করোনায় একদিনে ৩৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭০৯

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ২ লাখ ২০৬৬ জন আক্রান্ত হলেন। এসময়ে আরও ৩৪ জনের মৃত্যুসহ মোট ২ হাজার ৫৮১ জনে মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

‘নমুনা সংগ্রহ কম হচ্ছে’ এ বিষয়ে প্রশ্ন আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের নমুনা পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, তারা কোন রকম সময়ক্ষেপণ না করে নমুনা দিতে আসুন। সবখানে নমুনা দেয়ার ব্যবস্থা আছে।

দেশের মোট ৮০টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ হাজার ৬৩২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ৯২৩টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৪টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৭০৯ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ দুই হাজার ৬৬ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৫৮১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৩৭৩ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ১০ হাজার ৯৮ জনে।

বরাবরের মতোই বুলেটিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, চীনের উহান থেকে করোনা গত ছয় মাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।