
মোংলা প্রতিনিধি : ক্লাস্টার চিংড়ি চাষীদের সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী কেঁদে কেঁদে অভিযোগ করে বলেন ‘ উপজেলা মেরনি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন আমাদের কাছে প্রকল্পের টাকা ছাড়ের জন্য ঘুষ চায় অকথ্য গালাগালি করে । গত বছর (২০২৩ সাল) ক্লাস্টার চিংড়ি চাষের প্রকল্পের সরকারী অনুদান দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে ওই অফিসার অনেক টাকা ঘুষ নিয়েছে।
রোববার দুপুরে মোংলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফেরদৌসী আরও বলেন ‘ গত বছর থেকে মোংলায় ক্লাস্টার চিংড়ি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী আমরা সরকারি অনুদান পাব। কিন্তু এখনও আমাদের অনুদানের টাকা নিয়ে গড়িমষি করছেন উপজেলা মেরনি অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন ।এ কারণে আধুনিক ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ অন্যান্য জায়গায় সফলতা পেলেও মোংলায় শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে ।এসময় ভুক্তভোগী অন্যান্য চিংড়ি চাষীরাও প্রেসক্লাবের মিলনায়মতে উপস্থিত ছিলেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মোংলা উপজেলা মেরিন অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন বলেন‘ টাকা ছাড় দেওয়ার বিষটি এতদিন অফিসিয়ালি স্থগিত ছিল। যে কারণে পুরো খুলনা বিভাগের কোন চাষীকেই টাকা দেওয়া যায় নি। গত বৃহস্পতিবার টাকা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধন্ত হয়েছে। এখন চাষীরা প্রক্রিয়া অনুসরন করে আমাদের কাছে আসলেই আমরা টাকা ছাড় করবো। আর চাষীদের গালাগালি করার প্রশ্নই আসে না বললেন হেলাল।
একই স্থানে ২৫টি চিংড়ি ঘের/পুকুর পাশাপাশি রেখে দলগত ভাবে চাষ করা হয় ক্লাস্টার পদ্ধতিতে।জলবায়ূ পরিবর্তনের পাশাপাশি রোগমুক্ত পোনা না পাওয়া ঘেরের গভীরতা কম থাকাসহ বিভিন্ন কারণে গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিংড়িং উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমছিল। এ কারণে একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিল কৃষক, তেমনি দেশের চিংড়ি রফতানি বাজারও সংকুচিত হয়ে আসছিল। তাই এখন খুলনা অঞ্চলের চিংড়ি চাষীরা ক্লাস্টার পদ্ধতিরে চিড়িং চাষে ঝুঁকছে।
উপজেলা সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিসারিজ প্রকল্পের আওতায় সর্বত্র এ চাষ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাগেছে।
আপনার মতামত লিখুন :