শীত ও কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক | Daily AjKaler Kontho

শীত ও কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৪, ২০২৪, ১:৪০ অপরাহ্ন
শীত ও কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : নীলফামারীর সৈয়দপুরে হঠাৎ কয়েকদিন ধরে ঘন-কুয়াশা আর তীব্র শীতে অনেক কষ্ট পাচ্ছেন মানুষজন। সেইসাথে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা।কুয়াশা আর তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে বোরোর বীজতলা।

কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা বীজতলা পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রাখছেন। তবুও উপকার না পাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে তাদের।

সূত্রানুযায়ী, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে বোরো বীজতলা তৈরি করেন কৃষকরা। কিন্তু ডিসেম্বর থেকে কুয়াশা আর তীব্র শীতে উপজেলার অধিকাংশ বীজতলা নষ্টের পথে। কুয়াশা থেকে বাঁচতে বীজতলায় পলিথিন ব্যবহার করেও লাভ হচ্ছে না তাদের। চলতি মৌসুমে অধিকাংশ কৃষককে চারা কিনে ধান রোপণ করতে হবে। সরকারিভাবে সাহায্য-সহযোগিতা না করলে অনেক কৃষকই লোকসানের মুখে পড়বেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।

সৈয়দপুর পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের কাজীপাড়ার কৃষক মান্নান ও সাইফুল জানান, কুয়াশা পড়ে বেশিরভাগ বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এবার চড়া দামে চারা কিনে ধানের আবাদ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের কৃষক হোসেন আলী ও আপেল হোসেন জানান, এবার আড়াই বিঘা জমিতে বোরো আবাদের জন্য বীজতলা তৈরি করা হয়েছে কিন্তু গত কয়েকদিনের ঘন-কুয়াশা আর শীতের তীব্রতায় বীজতলার অবস্থা করুণ আকার ধারণ করেছে।

পলিথিন মোড়া দিয়েও কাজ হচ্ছে না। প্রায় সাত থেকে আটদিন ধরে তাপমাত্রা প্রতিদিনই ৯ ডিগ্রি থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা ওঠা-নামা করায় বীজতলার গোড়া পঁচে যাচ্ছে। এভাবে আরও দু’য়েকদিন তাপমাত্রা ওঠা-নামা করলে আবাদ করা মুশকিল হয়ে পড়বে।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভুষন জানান, এবার প্রায় সাত হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। বীজতলা নষ্টের ব্যাপারে তিনি বলেন, যেসব বীজতলা কুয়াশায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সেগুলো জমিতে সেচ দিয়ে সারাদিন ভিজিয়ে রেখে বিকেলে পানি বের করে দিতে হবে।