বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠান | Daily AjKaler Kontho

বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠান


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৯, ২০২৩, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠান

ভোলা জেলা প্রাতিনিধি মোঃ নিরব : ভোলার দৌলতখানে রবি ২০২৩-২৪ মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, সয়াবিন, মুগ ও খেসারি ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করেন।

বুধবার ৮ নভেম্বর দুপুরে দৌলতখান উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষি উপকরণ বিতরণের উদ্বাধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি আলী আজম মুকুল মাননীয় সংসদ সদস্য ভোলা ২।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল এমপি।

এমপি মুকুল বলেন, প্রণোদনা উপকরণ ফলনের মাধ্যমে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি ব্যবহার করলে দেশে ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে। এতে করে বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলা বিনির্মানের তা বাস্তবায়িত হবে। এছাড়া বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। বিএনপি সরকারের আমলে কৃষকগণ পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পেট্রোল বোমা মেরে নিরীহ মানুষকে হত্যা করছে, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে। প্রধানমন্ত্রী অনেক দুঃখ-কষ্ট বুকে চেপে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বিকল্প নেই। তিনিই নিজেই নিজের বিকল্প। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় অনেক কর্মসূচি চালু আছে। অসহায় মানুষ সেসব সুবিধা পাচ্ছে। দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি জামায়াত জঙ্গি সংগঠন, পুলিশের লাশের ওপর নৃত্য করেছে। পুলিশ হাসপাতালে হামলা করেছে। অথচ ফিলিস্তিনের মুসলিমদের হত্যা নিয়ে বিএনপির কোনো মাথা ব্যাথা নেই।

বিশেষ অতিথি জনাব আলহাজ্ব মনজুর আলম খান চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ দৌলতখান ভোলা ও জনাব জাকির হোসেন তালুকদার মেয়র দৌলতখান পৌরসভা
জনাব সিদ্দিকুর রহমান ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ জনাব আইনুন নাহার বিনু মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বাগত বক্তা কৃষিবিদ হুমায়রা সিদ্দিকা উপজেলা কৃষি অফিসার দৌলতখান ভোলা সভাপতি করছেন জনাব পাঠান মো : সাইদুজ্জামান উপজেলা নির্বাহী অফিসার দৌলতখান আজ সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে দুই হাজার তেইশ-চব্বিশ মৌসুমে রোপা আমন ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩৮০০ ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ে দৌলতখান উপজেলার নয় ইউনিয়নে সরিষা বীজ এক হাজার ছয় শত আশিজন কে এক কেজি, ডিএপি দশ কেজি এমও পি দশ কেজি, গম দুইশত পঞ্চাশ জনকে বিশ কেজি বীজ,ডিএপি দশ কেজি এমওপি দশ কেজি, ভূট্টা এক নয় শত ষাইট জনকে দুই কেজি বীজ ডিএপি বিশকেজিিএমওপি দশ কেজি, চিনা বাদাম চল্লিশ জনকে দশ কেজি বীজ,ডিএপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজি, পেঁযাজ বীজ ষাইটি জনকে এককেজি, ডিএপি বিশ কেজিিএমওপি দশ কেজি,খেসারী বীজ দুই শত জনকে আট কেজি,ডিএপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজি, মসুরডাল বীজ একশত ত্রিশ জনকে পাঁচ কেজি,ডিএপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজি,সূযমুখী পঞ্চাশ জনকে এক কেজি বীজ ডিএপি দশ কেজি এমওপি দশ কেজি,মুগডাল পঞ্চাশ জনকে পাঁচ কেজি বীজ ডিএপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজিপ্রতি জন কৃষক পাচ্ছেন বিনা মূ্ল্যে এই কৃষি প্রণোদনা পাওয়ার মাধ্যমে উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা ইরি-বোরো ধান চাষের পর জমি ফেলে না রেখে পেঁয়াজ ও আমন ধান চাষে গৃহিত সরকারের লক্ষমাত্রা শতভাগ অজিত হবে বলে মনে করছে উপজেলার কৃষি বিভাগ।