বামনায় জমি সংক্রান্ত পূর্বের জের ধরে মিথ্যা মামলা ও প্রাননাশের হুমকি | Daily AjKaler Kontho

বামনায় জমি সংক্রান্ত পূর্বের জের ধরে মিথ্যা মামলা ও প্রাননাশের হুমকি


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৮, ২০২৩, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
বামনায় জমি সংক্রান্ত পূর্বের জের ধরে মিথ্যা মামলা ও প্রাননাশের হুমকি

বামনা ( বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার বামনা উপজেলার ০৩ নং রামনা ইউনিয়নের উত্তর রামনা ৮ নং ওয়ার্ডের আব্দুল সাত্তার হাওলাদারের ছেলে নাসির, ও তার পরিবার এই মিথ্যা মামলার শিকার।

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়। সাংবাদিক নাসিরের চাচতো ভাই একাধিক মামলার আসামি সাইফুলের দ্বারা মিথ্যা মামলা এবং প্রান নাশের হুমকির শিকার তার পুরো ফ্যামিলি গত ১৩ তারিখ, বিদ্যুতের খুটি নিয়ে পারিবারিক ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

এই ঝামেলার জের ধরে সাইফুল ইসলাম, নাসিরের চলাফেরার পথ আটকিয়ে দিলে নাসির বামনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরি জিডি নং ৯২৩।

ডায়েরি করার পরে সাইফুল উত্তেজিত হয়ে নাসিরের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন কে বেধড়ক মারপিট করেন , এবং নাসিরের বসত ঘরে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে এবং পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে বামনা থানায় অভিযোগ দেওয়ার কারণে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ এর মা বোনকে তুলে গালি গালাজ করে সাইফুল। এবং সাইফুল একাধিক মানুষের মাঝে এমপির দোহাই দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে আসছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আসলে এমপির সাথে তার আদৌ কোন সম্পর্ক আছে কিনা। নাকি তার নাম ব্যবহার করে এসব অপকর্ম করে পার পাওয়ার জন্য। বিষয়টি সাধারন মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়।

নাসির দ্বিতীয়বার আবার থানায় সাইফুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে গেলে নাসিরের ৮৫ বছরের বৃদ্ধ পিতা মোহাম্মদ আব্দুল সাত্তার হাওলাদার কে সাইফুলের বাড়ির সামনে একা পেয়ে তাকেও বেধড়ক মারপিট করে জখম করেছে বর্তমানে সে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

স্থানীয় রামনা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে খুব দ্রুত আইনিব্যবস্থা নেওয়া উচিত

নাসিরের ফ্যামিলি খুবই আতংকে আছে তার ছেলে মেয়ে মাদ্রাসায় পাঠাতে ভয় পাচ্ছে।

এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাইনুল ইসলাম বলেন সাইফুল কে থানায় ডেকে আনা হয়েছিলো জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তবে সে নাটকীয় কায়দায় থানা থেকে বের হয়ে গেছে তার বিরুদ্ধে নাসির সাধারণ ডায়েরি করেছে আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।