সরকারী বিধি নিষেধ উপেক্ষিত কুয়াকাটায় তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা চলছে টাকার বাণিজ্য | Daily AjKaler Kontho

সরকারী বিধি নিষেধ উপেক্ষিত কুয়াকাটায় তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা চলছে টাকার বাণিজ্য


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : মে ১০, ২০২০, ৪:০৯ অপরাহ্ন
সরকারী বিধি নিষেধ উপেক্ষিত কুয়াকাটায় তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা  চলছে টাকার বাণিজ্য

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধী : কুয়াকাটার মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুর প্রতিনিয়ত তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। প্রশাসন ও
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাাঙ্গুলী দেখিয়ে মস্ধসঢ়;জিদের চলা চলের পথ দখল করে তোলা হচ্ছে
অবৈধ স্থাপনা।
সরেজমিনে দেখাগেছে মৎস্য বন্দর মহিপুর তহশিল অফিস থেকে মাত্র ১০০ গজ দুরে মহিপুর কেন্দ্রীয় জামে মস্ধসঢ়;জিদ মাঠের দক্ষিন পার্শ্বের সংযোগ সড়কটি বন্ধ করে শনিবার অবৈধভাবে ২টি ঘর উত্তোলনের কাজ করছে জয়নাল আবেদীন ও কামাল নামের দুই ব্যক্তি। অপরদিকে এসব স্থাপনা তোলায় চলছে টাকার বাণিজ্য। এসব অপসারণে দৃশ্যমান কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই। উল্টো মহিপুর-আলীপুরে স্থাপনা তোলা আর অপসারণ নিয়ে এখন চলছে অর্থ বাণিজ্য এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। কুয়াকাটা সহ উপকূলীয় এলাকার সাপ্তাহিক বাজর হচ্ছে মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুর। আর এ বাজারে প্রতিনিয়ত গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। কতিপয় অসাধু প্রভাবশালী লোক স্থানীয় কতিপয় ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব দখল বাণিজ্য চালাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আর এভাবে যত্রতত্র স্থাপনা গড়ে তোলায় সরকারের খাস জমি সহ বন বিভাগের জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি বেদখল হচ্ছে দিনের পর দিন। এতে বাংলাদেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর আলীপুর মহিপুরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এমনকি সংকুচিত হয়ে আসছে বন্দর। এব্যাপারে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আঃ আজিজ বলেন, যে ঘর উত্তোলন করা হচ্ছে তা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তবে এর আগেওতো তহশিল অফিসের জায়গায় অনেক ঘর উঠানো
হয়েছে সে ঘরতো এখনও বিদ্যমান রয়েছে এমন অভিব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

মহিপুর কেন্দ্রীয় জামে মস্ধসঢ়;জিদের সভাপতি ও মহিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আঃ মালেক আকন্দ বলেন, দু’টি ঘর উত্তোলনের সংবাদ পেয়েছি কিন্তু কে বা কারা উঠিয়েছেন জানিনা তবে এ ব্যাপারে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারেন। এব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি এবং ঘর না উঠানোর ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা নিয়েছি।

আজকালের কন্ঠ /এমএম /এম