‘বক্সতো ঠিক আছে, ভেতরের জিনিসগুলোতে নজরদারি বাড়ান’ | Daily AjKaler Kontho

‘বক্সতো ঠিক আছে, ভেতরের জিনিসগুলোতে নজরদারি বাড়ান’


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২০, ৫:৫৯ অপরাহ্ন
‘বক্সতো ঠিক আছে, ভেতরের জিনিসগুলোতে নজরদারি বাড়ান’

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের এন-৯৫ মাস্কের মোড়কে সাধারণ মাস্ক দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে তিনি নজরদারি বাড়াতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বক্সতো ঠিক আছে, কিন্তু বক্সের ভেতরের জিনিসগুলো ঠিক আছে কিনা নজরদারিটা একটু বাড়ানো দরকার বা যিনি রিসিভ করবেন উনি যেন দেখেশুনে রিসিভ করেন। খালি এইটুকু বললাম।’

সোমবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারকে এই নির্দেশনা দেন তিনি।

রাজধানীতে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত মহানগর জেনারেল হাসপাতালে ভুল মাস্ক সরবরাহের বিষয়টি তুলে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানগর হাসপাতালে কিছু জিনিস গেছে, পিপিইর নাম দিচ্ছে বেশ ভালো, কিন্তু জিনিসগুলো বোধহয় ঠিকমত যায়নি। এটা একটু আপনাদের খোঁজ করে দেখা উচিৎ।

পরে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদ উল্লাহ ব্যাখ্যা দিতে গেলে তাকে থামিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এন-৯৫ লেখা আপনাদের বক্সে। কিন্তু ভিতরের যে জিনিসটা, সেটা সঠিক থাকে কিনা, এটা একটু আপনাদের দেখা দরকার।

‘আপনারা দিয়ে দিচ্ছেন, বলে দিচ্ছেন। কিন্তু যারা সাপ্লায়ার, তারা ঠিক মতো এটা দিচ্ছে কিনা বা সঠিক জিনিসটা কিনছে কিনা, এটা দেখা দরকার। এটা দেখবেন। যেহেতু আমি ..বেশি কিছু করতে চাই না, আমি মন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি ছবিটা, ওটা যাচাই করে দেখার জন্য। এটা একটু নজর দিয়েন।’

‘এখানে যেহেতু অনেকে লাইভে আছেন, আমরা কথা বলছি না। লেখা আছে এন-৯৫। কিন্তু ভিতরের জিনিস কিন্তু সবসময় সঠিকটা যাচ্ছে না।’

মাস্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে নজরদারি কঠোর করার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা এদিন বলেন, কেউ যদি এরকম কিছু করে থাকে … বা এর সাপ্লায়ার কে… আমি শুধু বললাম, মহানগর হাসপাতালে এটা গেছে। বাবুবাজারের যে হাসপাতালটা .. এটা তো করোনাভাইরাসের জন্য ডেডিকেটেড। তো এরকম কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় যদি হয়, এটা তো ঠিক না।

তিনি বলেন, আপনারা যাদেরকে এনগেজড করেন, যাদেরকে ব্যবসাটা দেন বা যাদেরকে নেয় বা সাপ্লাই দেয়, তারা সঠিকটা দিল কিনা। বক্স তো ঠিক আছে, কিন্তু বক্সের ভিতরের জিনিসগুলি ঠিক আছে কিনা আমার মনে হয়, নজরদারি বাড়ানো দরকার…বা যিনি রিসিভ করবেন, তিনি যেন দেখেশুনে এটা রিসিভ করেন। খালি আমি এটুকু বলতে চাই।

সিএমএসডি পরিচালক শহিদ উল্লাহ এসময় বলেন, হয়ত জরুরি প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে আমাদের ভুল হয়ে থাকতে পারে, এখন আমরা চাচ্ছি আমাদের এই ভুলগুলো যেন না হয়, সেটা সঠিকভাবে বিতরণ যেন নিশ্চিৎ করতে পারি, সে উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি।

আজকালের কন্ঠ /এমএম