শেখ রাজিয়া সুলতানাঃ পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারী চলছে। বাংলাদেশ সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এখনো বাংলাদেশে এই ভাইরাসের বিস্তার সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
মোল্লা সজল আজকালের কন্ঠ কে বলেন, রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে অসহায় মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা মাত্র।আমরা চেষ্টা করব আগামী দিনগুলো মানুষের পাশে এভাবেই যেন থাকতে পারি।দেশে এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতার হাত আরো প্রসারিত করার জন্য তিনি আহবান জানান।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জনগণের জন্য তিনি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে এই ভাইরাসের সম্ভাব্য বিস্তার রোধে সরকার জরুরি সেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন ব্যাতীত সকল অফিস আদালত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করেছে, সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে এবং জনসাধারণকে অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাসায় অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করেছে। এ প্রেক্ষিতে, চরম মাত্রায় আক্রান্ত দেশ সমূহের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যেমন কাজ করে যাচ্ছে, তেমনি সাধারণ ছুটি ঘোষণার ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি রোধে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশেষত, দীর্ঘ ছুটির কারণে উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমজীবী মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সরকার খাদ্য ও অর্থ সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচীর পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত উপকরণ সরবরাহ এবং নিম্ন আয়ের মানুষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে এগিয়ে এসেছে।
করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এরই মধ্যে করা হয়েছে লকডাউন। এ কারণে আটকা পড়েছে অসহায় ও অসচ্ছল বহু পরিবার। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা ও ঢাকা-০৫ এর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থতার কারণে বর্তমানে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। করোনা ভাইরাসে দেশের এই দুর্দিনে এমপি সাহেবের অবর্তমানে তাঁর বড় ছেলে মশিউর রহমান মোল্লা সজল এলাকাতে অসহায়, গরীব, দিনমজুরি, খেটেখুটে খাওয়া মানুষের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। আলাপকালে মোল্লা সজল বলেন, আব্বা’তো মেডিক্যাল অসুস্থ এ অবস্থাতে আমাকে দিনে রাতে যখনই কেউ খাদ্যের সমস্যার কথা জানান, আমি সাথে সাথে তাঁদের বাসায় লোক দিয়ে সতর্কতা বজায় রেখে ত্রাণসামগ্রী পৌছিয়ে দিচ্ছি যেন একটি পরিবার ৫/৬ দিন খেয়ে চলতে পারে। এ দুঃসময়ে কোনো মানুষ যেন অনাহারে না থাকে এবং এ দিকেই আমি সর্বক্ষণ নজর রাখছি।
সজল আরও বলেন, ত্রাণসামগ্রী ছাড়াও অনেকেই তাদের সমস্যার কথা বলে টাকার জন্য ফোন কল করেন এবং তাদের বিকাশ নাম্বার নিয়ে এক-হাজার করে টাকা পাঠিয়ে দেই। কারো’র কোনো রকম অসুস্থতার খবর পাওয়া মাত্রই সেখানেও সহযোগিতা করছি।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাল ডাল, তেল আলু, সাবান। আর নগদ টাকাতো আছেই।
হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি’র ছেলে মোল্লা সজল, তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবক।
আজকালের কন্ঠ / মিজান
আপনার মতামত লিখুন :