অশ্রয়ন প্রকল্পে বালু না দেয়ায় ১৫ লাখ টাকার পাইপ ভাংচুর, ইউএনওর বিরুদ্ধে মাবনবন্ধন | Daily AjKaler Kontho

অশ্রয়ন প্রকল্পে বালু না দেয়ায় ১৫ লাখ টাকার পাইপ ভাংচুর, ইউএনওর বিরুদ্ধে মাবনবন্ধন


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩, ৫:১৫ অপরাহ্ন
অশ্রয়ন প্রকল্পে বালু না দেয়ায় ১৫ লাখ টাকার পাইপ ভাংচুর, ইউএনওর বিরুদ্ধে মাবনবন্ধন

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে বালু না দেয়ায় ড্রেজার মালিকের ২৩২ পিচ পাইপ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতানের বিরুদ্ধে। এতে বালু ব্যবসায়ী ড্রেজার মালিক মো. লোকমান হোসেনের কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে কালিকাবাড়ি বাজারে মানববন্ধন করেছেন ড্রেজার মালিক, তার কর্মচারীসহ এলাকাবাসি।

মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ ড্রেজার মালিক মো. লোকমান হোসেন বলেন, উপজেলার দেবরাজ গ্রামে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের নিচু ডোবা ভরাটের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল ড্রেজার মালিকদের ডেকে ২ টাকা করে প্রতিফুট বালুর দাম নির্ধারণ করে বালু দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। বালু দিতে দেরী হওয়ার কারনে সোমবার বিকেলে নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতানের নেতৃত্বে দুইজন আনসার সদস্য কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে প্রাকাশ্যে ২৩২টি পাইপ ভেঙ্গে দিয়েছেন। আমি কোন অন্যায় করে থাকলে ইউএনও সাহেব আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারতেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারতেন। তিনি কোন প্রকার কথবার্তা ছাড়াই বেআইনিভাবে ১৫ লাখ টাকার পাইপ ভেঙে দিয়েছেন।

অপর এক ড্রেজার মালিক শাহিদা বেগম বলেন, ওই আশ্রয়ন প্রকল্পে ড্রেজার থেকে ২১ হাজার ফুট বালু দেয়া হয়। একাধিকবার টাকার তাগাদা দিলেও টাকা পরিশোধ করেননি।
বলুইবুনিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. শাজাহান আলী খান বলেন, ড্রেজার মালিককে না ডেকে কেন ইউএনও সাহেব পাইপগুলো কাটলেন তা বোধগম্য নয়। এটা কোন আইনি পদক্ষেপ হতে পারেনা। অপরাধ হলে জরিমানা ও মালামাল জব্দ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারতেন। পাইপগুলো কেটে ফেলায় এখন নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতান বলেন, ওই ড্রেজারটি অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।