
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ভোলায় আসছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। মন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম ভোলা সফরকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এটিই তাঁর প্রথম সফর হওয়ায় ভোলার মানুষের কাছে এ সফরের গুরুত্বও বিশেষ। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভোলার মানুষের দীর্ঘদিনের নানা প্রত্যাশা রয়েছে নতুন এই মন্ত্রীর কাছে। বিশেষ করে জেলার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়ন, নদীভাঙন রোধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর পার্থের প্রথম ভোলা সফর জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন গতি আনতে পারে। মন্ত্রীর কাছে নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরারও সুযোগ পাবেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অন্যদিকে, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ সফরকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে দলীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করার কথা বলে আসছেন। এবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর দায়িত্বের পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রথম সফর একজন জনপ্রতিনিধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সফরে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং জেলার উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে কার্যকর আলোচনা হলে তা ভোলার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্ত্রী হিসেবে পার্থের প্রথম ভোলা সফরকে ঘিরে এখন জেলার মানুষের প্রত্যাশা—নতুন দায়িত্বের সঙ্গে নতুন সম্ভাবনার দ্বারও খুলবে ভোলার জন্য।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :