কুবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে সেমিনার | Daily AjKaler Kontho

কুবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে সেমিনার


কুবি প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৭, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ন
কুবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে সেমিনার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে এবং বারসিক (BARCIK)-এর সহযোগিতায় ‘খাদ্য ব্যবস্থা, আঞ্চলিক বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজির পথ: ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভ্যাবষ্যতের সন্ধানে’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের এর ডিন ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এন. এম. রবিউল আওয়াল চৌধুরী, প্রভাষক তহমিনা খাতুন ও অমিত দত্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের বিভিন্ন সেশনের শিক্ষার্থীরা

সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু সহনশীল এবং ন্যায়সঙ্গত খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এগ্রোইকোলজিভিত্তিক উদ্যোগের বিকল্প নেই।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারসিকের অ্যাগ্রোইকোলজি অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি ইউনিটের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস। তিনি বলেন, ” বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও বর্তমান কৃষিব্যবস্থায় কৃষক ও পরিবেশ নানা সমস্যার মুখে পড়ছে। কৃষকরা বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও ঋণের মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, মাটির ক্ষয়, পানির সংকট ও জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ায় খাদ্যব্যবস্থা আরও ঝুঁকিতে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষক, স্থানীয় জ্ঞান ও পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়ে কৃষিব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “এগ্রোইকোলজি শুধু রাসায়নিকের ব্যবহার কমানোর বিষয় নয়, এটি কৃষক ও স্থানীয় মানুষের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার একটি পথ। দেশীয় বীজ সংরক্ষণ, বিভিন্ন ফসল একসঙ্গে চাষ, মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং কৃষকের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। কৃষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারলেই একটি জলবায়ু সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও ন্যায়সঙ্গত খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।”

আজকালের কন্ঠ/আর বি