কুড়িগ্রামে ধরলার ভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে পাউবো’র সামনে মানববন্ধন | Daily AjKaler Kontho

কুড়িগ্রামে ধরলার ভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে পাউবো’র সামনে মানববন্ধন


কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২০, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে ধরলার ভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে পাউবো’র সামনে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মেখলী এলাকার ধরলা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অফিসের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ফুলবাড়ী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও অ্যাক্টিভিস্টা কুড়িগ্রাম।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কয়েক বছর ধরে ধরলা নদীর আগ্রাসী ভাঙনে মেখলীসহ আশপাশের এলাকায় শত শত বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে নদীভাঙনের হুমকিতে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। প্রতিনিয়ত ভাঙন অব্যাহত থাকায় দিন দিন ছোট হয়ে আসছে এলাকার ভূখণ্ড ও মানুষের বসবাসের জায়গা।

এ মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক এম রশিদ আলী, অ্যাক্টিভিস্টা কুড়িগ্রামের প্রতিনিধি আরজু খাতুন, ডোনেট ফর ভুরুঙ্গামারীর সদস্য চামেলী খাতুন এবং ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ইলিয়াস আলীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ধরলা নদীর ভাঙন রোধে এর আগে একাধিকবার মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা ও নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে। এতে একদিকে মানুষ বসতভিটা ও কৃষিজমি হারাচ্ছেন, অন্যদিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা।

তারা আরও বলেন, এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে একসময় মেখলী এলাকার বড় একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে শুধু সাময়িক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং নদীর গতিপথ ও ভাঙনপ্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা জরুরি।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা দ্রুত মেখলী এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি