কমলনগরে আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান | Daily AjKaler Kontho

কমলনগরে আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান


কমলনগর প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জুলাই ৯, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ন
কমলনগরে আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আক্তার হোসেন মিলন নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। তিনি উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও হাজী নছিরুল হকের ছেলে।

​জানা গেছে, আক্তার হোসেন মিলন অতীতে জাসদের (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) রাজনীতি করতেন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ পাওয়ার আশায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরবর্তীতে তাকে নৌকা প্রতীক না দেওয়া হলেও লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু তাকে হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।

​বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হাজিরহাট হামেদীয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তার এই যোগদানের দৃশ্য দেখা যায়।

​অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ফারুক হোসাইন নূরনবী (অথবা জেলা জামায়াতের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা)*, কমলনগর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির, হাজিরহাট হামেদীয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন ফারুকী এবং মাতাব্বরনগর দারুসসুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্তার হোসেন মিলন বলেন, “আওয়ামী লীগের আমলে জেলা সভাপতি আমাকে হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই কমিটির কোনো অফিশিয়াল কাগজপত্র বা অনুমোদনপত্র আমি কখনো পাইনি। আজ থেকে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী হিসেবে দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করব।”

​কমলনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল খায়ের এই যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ইসলামী দল। কেউ যদি এই সংগঠনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসতে চায়, জামায়াতে ইসলামী তাকে অবশ্যই স্বাগত জানাবে।”

আজকালের কন্ঠ/আর বি