বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী | Daily AjKaler Kontho

বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : জুন ২০, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ন
বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

আজ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ -শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আর সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতেই জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কিংবা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা মাভাবিপ্রবি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি