
২০০৮ সালে মামলার আসামি ইদ্রিস শিকদার ও কুদ্দুস শিকদার, প্রতিবেশী ফারুক জমাদার ও কবির জম্মাদার সহ ৫/৬ জন বিবাদীদের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতেছিল।
একপর্যায়ে প্রতিবেশী বিবাদীদের ফাঁসানোর জন্য আসামি অপর আসামী কুদ্দুস মিলে নিজের স্ত্রী শেফালী বেগম অন্তস্বস্ত ৭ মাসের বাচ্চা সহ ও আপন বড় ভাই মানিক শিকদার কে হ*ত্যা করে। পরবতীতে ইদ্রিস শিকদার স্ত্রী ও আপনভাই মৃত্যুবরন করে। পরবতীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইদ্রিস শিকদার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ ফারুক জমাদ্দার ও কবির জমাদ্দারসহ বিবাদীদের ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে একটা হ*ত্যা মামলা দায়ের করে। পরবতীতে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত করে স্থানীয় ভাবে জানতে পারে বাদী ইদ্রিস শিকদার ও তার ভাই কুদ্দুস শিকদার আসামির স্ত্রী শেফালী বেগম ও আপন ভাই মানিক শিকদার কে হত্যা করে মুলঘটনা আড়াল করার জন্য বিবাদীদের ফাঁসানোর জন্য এ হ*ত্যা মামলা করে। তখন পুলিশ বাদী হয়ে আসামী ইদ্রিস শিকদার ও কুদ্দুস শিকদার এর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং বিবাদীদের অব্যাহতি প্রদান করেন।
উক্ত মামলায় যাবতজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুদ্দুস শিকদার বর্তমানে জেল হাজতে আছে অপর আসামী ইদ্রিস শিকদার ২ বছর জেল হাজতে থেকে জামিনে বের হয়ে পলাতক হয় এবং আপন দুই ভাই কে বিঞ্জ জজ আদালত, ঝালকাঠি কতৃক যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :