জুলাই সনদ পূর্ণ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য: চিফ হুইপ | Daily AjKaler Kontho

জুলাই সনদ পূর্ণ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য: চিফ হুইপ


আজকালের কন্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ন
জুলাই সনদ পূর্ণ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জুলাই সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া বর্তমান সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। এ নির্বাচনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য হলো জুলাই সনদের প্রতিটি লাইন, সেমিকোলন ও দাঁড়ি-কমা হুবহু বাস্তবায়ন করা।

সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও মো. আখতারুজ্জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল দর্শন হলো দেশের প্রতিটি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং কামার, কুমার, তাঁতি, স্বর্ণকারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি আপনার ভাই কাজ না পায় এবং প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে, তবে সেই রাষ্ট্রের সার্থকতা কোথায়? মানুষের জীবনের প্রথম মৌলিক চাহিদা হলো অন্ন। এ চাহিদা পূরণের জন্য দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস থাকা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এবং সামাজিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পায়। যদি দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকে, তবে সাধারণ রিকশাচালক থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়ী কারো জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ শাসনামলে এ দেশের মানুষের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিল। সেই সময় বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা ছিল না এবং সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রাখা হয়েছিল। বাকশালের সেই অন্ধকার সময়ে মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি জাতিকে তিন বছরের মাথায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। পরে বেগম খালেদা জিয়াও ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতি ও গণতন্ত্র সোজা করার কাজ করেছেন। কিন্তু বিগত দেড় দশকের শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। দেশ থেকে পাচার হওয়ার ফলে অর্থনীতি এখন এক ভঙ্গুর অবস্থার মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি