
কুড়িগ্রাম জেলায় জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। জেলার বিভিন্ন উপজেলার পেট্রোল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই পেট্রোল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন মটর বাইক চালকরা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মধ্যে কমরপুর বাজারের সংলগ্ন ফিলিং স্টেশন, উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুরে অবস্থিত নজরুল ফিলিং স্টেশন, ও উলিপুর শহরে অবস্থিত সিরাজ ফিলিং স্টেশন সহ এমন চিত্র দেখা গেছে প্রায় সারা রাত জেগে মোটর বাইকের সিরিয়ালে থেকে সকালে তেল দেয়া শুরু হলে স্থানীয় ছেলেদের সিন্ডিকেটের কারণে শত শত মটর বাইক চালকরা ও গ্রাহক জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেনি
বিশেষ করে উলিপুর, চিলমারী উপজেলার পেট্রোল পাম্পের কাছাকাছি স্থানীয় জনগনের সিন্টিকেটের কারনে প্রকৃত মটর বাইক চালকরা তেল না পেয়ে ফিরে যান খালি হাতে
স্থানীয়রা জানান, কিছু ক্ষেত্রে লাইনে থাকা সাধারণ গ্রাহকদের তুলনায় পরিচিত ব্যক্তিদের আগে তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ অনেকেই তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় লাইনে দাঁড়ানো অধিকাংশ গ্রাহকই বঞ্চিত হচ্ছেন। এব্যাপারে প্রশাসন কে জানালে নিরব ভুমিকা পালন করা ছারা কোন উপায় নেই।
ভুক্তভোগী মোটর সাইকেল চালকরা বলেন,দৈনন্দিন কাজ, চাকুরী ও জরুরী প্রয়োজনে বের হয়ে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
এদিকে জেলার অন্যান্য পাম্পগুলোতেও একই ধরনের পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোগান্তি ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
তেল নিতে আসা একাধিক বাইকার জানান, জেলার সব পেট্রোল পাম্পে যদি একযোগে নিয়মিতভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি করা হতো, আর প্রকৃত মোটর বাইক চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেল এর রেজিষ্ট্রেশন কাগজ পত্র দেখে পাম্প গুলো তেল সরবরাহ করতো তাহলে এ ধরনের সংকট ও দীর্ঘ লাইনের সমস্যা তৈরি হতো না।
স্থানীয়দের দাবি, পাম্পগুলোতে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি বিতরণ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :