
দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মিলিত হয়ে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপন করেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ১৯৯৫ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আজ সোমবার দিনব্যাপী আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে অংশ নিয়ে পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন বন্ধুরা। এ সময় একে অপরের খোঁজখবর নেওয়া, আড্ডা, স্মৃতিচারণ, দুপুরে খাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দিনটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে ১৯৯৫ ব্যাচের বাদশা বলেন, দীর্ঘদিন পর সকল বন্ধুকে একসঙ্গে পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত। ব্যস্ত জীবনের কারণে নিয়মিত যোগাযোগ না থাকলেও এ ধরনের আয়োজন বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান তিনি।
আরিফুর রহমান আরিফ বলেন, স্কুল জীবনের বন্ধুরা জীবনের সবচেয়ে আপন মানুষদের মধ্যে অন্যতম। আজকের এই পুনর্মিলনী তাকে আবার সেই স্কুল জীবনের দিনে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হলেও বন্ধুত্বের সম্পর্ক আজও আগের মতোই অটুট রয়েছে।
আশরাফ হোসেন বলেন, সময়ের ব্যবধানে অনেকের সঙ্গে দেখা না হলেও মনে হয়েছে যেন গতকালই একসঙ্গে স্কুলে ক্লাস করেছি। তিনি এই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পুনর্মিলনী আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।খোকন বলেন, জীবনের নানা ব্যস্ততার মাঝেও সবাই একত্রিত হতে পেরেছে, এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। তিনি বলেন, এই বন্ধুত্ব যেন আজীবন অটুট থাকে, সেই কামনা করেন।
হযরত আলী বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়। আজকের এই মিলনমেলা সেই পুরনো স্মৃতিকে আবার জীবন্ত করে তুলেছে। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন বন্ধুত্বের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কাকলী বলেন, দীর্ঘদিন পর সবার সঙ্গে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগছে। তিনি বলেন, স্কুল জীবনের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়, আর সেই বন্ধুদের সঙ্গে আবার একত্রিত হতে পেরে তিনি খুব আনন্দিত।অনুষ্ঠান শেষে সবাই ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের আয়োজন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং একে অপরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
আজকালের কন্ঠ/আর এস
আপনার মতামত লিখুন :