মিরসরাইয়ে রাতের আদারে চলছে পাহাড় ফসলি জমি ও পাহাড়ের গাছ কাটার প্রতিযোগিতা | Daily AjKaler Kontho

মিরসরাইয়ে রাতের আদারে চলছে পাহাড় ফসলি জমি ও পাহাড়ের গাছ কাটার প্রতিযোগিতা


নুর হোসেন মিয়া, মিরসরাই প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : মার্চ ১২, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ন
মিরসরাইয়ে রাতের আদারে চলছে পাহাড় ফসলি জমি ও পাহাড়ের গাছ কাটার প্রতিযোগিতা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চলছে পাহাড় ফসলি জমি ও পাহাড়ের গাছ কাটার প্রতিযোগিতা। পাহাড়ি ও ফসলি জমির মাটি কেটে তা দিয়ে করা হচ্ছে ব্যবসা। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ‘জোর খাটিয়ে’ প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে সমতল করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। বিষয়টি সম্পর্কে প্রশাসন অবগত হলেও এখনও ‘আইনানুগ ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা বলছেন তারা। স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে ক্ষুদ্ধ হলেও মাটি খেকোদের ভয়ে নিরব থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ফলে নিরাপদেই পাহাড় ও ফসলি জমির গায়ে বসছে স্কেভেটরের দাঁত!

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চলছে বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটার ঘটনা। খবর নিয়ে জানা গেছে করেরহাট ভাঙ্গা দোকান মিঠাছড়া গড়িয়াইশ শ্রীপুর তালবাড়িয়া নিজামপুর ইছাখালী মেহেদী নগর সাহেরখালী এইসব এলেকায় গুলোতে মাটি কাটা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এখন বছরের শেষ হওয়ায় পুরো উপজেলার ইটের ভাটাগুলোতে মাটি সরবরাহের কাজ করছে। সেই সুযোগে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতা শুরু করছে। এতে যেমন পাহাড় ধ্বংস হচ্ছে তেমনি ধ্বংস হচ্ছে পাহাড়ি বন। এছাড়া পাহাড়ের মাটির কাটার কারণে জীববৈচিত্র্য পড়েছে হুমকির মুখে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৯নং সদর ইউনিয়নের ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডে কয়েক একটি পাহাড়কে কেটে ধ্বংস করা হয়েছে। রাতের আঁধারে পাহাড়ের মাটি কেটে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে চক্রটি।স্থানীয়রা বলছেন,লোকবল নিয়ে আসে পাহাড়ের মাটি কেটে বিক্রি করছেন। কেউ কিছু বললে তাদের ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন। এ জন্য কেউ বাধা দিচ্ছিনা।

উপজেলার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এভাবে পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যসহ পরিবেশের যে ক্ষতি হবে তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টরা পাহাড় কাটা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ভূমিকম্প বা লাগাতার বর্ষণের সময় ভূমিধ্বস হয়ে বড় রকমের বিপর্যয় হতে পারে এমন আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

অন্য দিকে পাহাড় কাটার সাথে সাথে কাটছে পাহাড়ের গাছ এই বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজনে বলেন এই গুলার সাথে ফরেস্ট অফিসের লোক জড়িত থাকে, তাই এরা পাহাড় এবং পাহাড়ের গাছ কাটছে না হলে এরা এত সাহস ফেত না।

এই বিষয়ে উপজেলার রেঞ্জ বন কর্মকর্তা মো আলামিন এর কাছে জানতে ছাইলে তিনি এই বিষয়ে বক্তব্য না দিয়ে বিষয়টি এডিয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত আছি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি