
পানি সম্পদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা পারের ৫টি জেলার মানুষের স্বার্থে, প্রকৃতির স্বার্থে এবং জীবন-জীবিকা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তিস্তাকে বাঁচাতে হবে। তিস্তা প্রকল্প পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চীনে প্রেরণ করা হয়েছে। চীন প্রকল্পটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। ইতোমধ্যে চীন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। তিনি আরে বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প এটি বাত্তবায়ন হলে তিস্তা সংলগ্ন জেলার জনগণের জীবন-জীবিকা, নদীর অববাহিকা রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্যের কোন ক্ষতি না হয় সেটি নিশ্চিত করা হবে।
সোমবার রংপুরের কাউনিয়ায় তিত্তা ব্রীজ সংলগ্ন ১০নং ঘাট পরিদর্শন এবং এলাকাবাসীর সাথে আলোচনায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
পানি সম্পদ উপদেষ্টা আরো বলেন, আজকে চীনের রাষ্ট্রদূত এসেছেন তার সাথে বিশেষজ্ঞ ও রয়েছে। তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে, এটি অনেক বড় প্রকল্প হওয়ায় সর্তকতার সাথে কাজটি করতে হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়। চীন বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসময় জনগণকে আশান্বিত হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি একটি বড় প্রকল্প বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি আশা করেন নির্বাচিত সরকার প্রকল্পটির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি বাংলাদেশকে সব ধরণের সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো: এনায়েত উল্ল্যাহ, রংপুরের জেলা প্রশাসক মো: আমিনুল আহসান, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো: জয়নুল আবেদীন, কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। চায়না অ্যাম্বাসির কমার্শিয়াল কাউন্সেলর Song Yang ও পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে উপদেস্টা এবং রাষ্টদূতসহ সফরসঙ্গীরা তিস্তা ব্রীজের উপর থেকে এবং বোটে করে তিস্তা নদী ঘুরে দেখেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :