
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, সার সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ কৃষকেরা। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে সারের ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কৃষকদের অভিযোগ, দোকানে সার কিনতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে—সার নেই। আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে সার দেওয়া হচ্ছে, তাও অতিরিক্ত দামে। অভিযোগ রয়েছে, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে যোগসাজশের মাধ্যমে গোপনে কালোবাজারে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিখন বণিক জানান, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। একই বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ইসা। তবে প্রশাসনের এই বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্রের মিল না থাকায় সাধারণ কৃষকেরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
কৃষকদের ভাষ্য, নির্ধারিত সময় ও পরিমাণ অনুযায়ী সার না পেলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষিকাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। তারা অভিযোগ করেন, সঠিক সময়ে সার না পাওয়ায় জমিতে সার প্রয়োগ ব্যাহত হচ্ছে, যা সরাসরি ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এমতাবস্থায় আগৈলঝাড়া উপজেলার কৃষকেরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন—সার বণ্টন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের অনিয়ম কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
কৃষকদের মতে, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত না হলে কৃষক ক্ষতির মুখে পড়বে এবং তার প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য উৎপাদনের ওপর। তাই অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আজকালের কন্ঠ / এম / আশরাফ
আপনার মতামত লিখুন :