স্বপ্ন পূরণ হলো বাংলাদেশের। একে একে বসলো পদ্মা সেতুর ৪১টি স্প্যান। এর ফলে দৃশ্যমান হলো পুরো সেতু। একই সঙ্গে সংযুক্ত হলো পদ্মার দুই পাড়। এই সেতুর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৯ জেলার সঙ্গে সারাদেশের সরাসরি সংযোগ পথ উন্মুক্ত হলো। এরপর সড়ক এবং রেলের স্ল্যাব বসানো সম্পন্ন হলে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল শুরু হবে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ডিসেম্বরে সেতুটি চালুর কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় পদ্মা সেতুর সবশেষ স্প্যানটি বসানো হয়। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় স্প্যানটি। এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৬.১৫ কিলোমিটার। ৪০তম স্প্যান বসানোর ছয় দিনের মাথায় এ স্প্যানটি বসানো হলো।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। ৪২টি পিয়ারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ হচ্ছে।
মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি)। নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।
বহুমুখী এ সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।
আপনার মতামত লিখুন :