
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় তিন সন্তানের জননী ইসরাত জাহান কাকলী পিতাঃমোঃরশিদ তালুকদার গৌরনদী কটকস্থল গ্রামের মেয়ে দীর্ঘ ত্রিশ বছর আগে আগৈলঝাড়া উপজেলার ছোট বাসাইল গ্রামের মোঃ মতিউর রহমানের ছেলে মোঃ অহিদুজ্জামান এর সাথে পারিবারিক ভাবে ধুমধাম করে বিবাহ হয়।মোঃ অহিদুজ্জামান একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। সুখের সংসার ছিলো তাদের।
ত্রিশ বছর সংসার জীবনে তাদের সংসার আলোকিত করে দুই কন্যা ও একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।মেয়ে দুইটির বিবাহ হয়েছে দুইটি সংসারে দুইটি সন্তান আছে। মোঃ অহিদুজ্জামান এখন দুই নাতি নাতরীর নানা।অবসরে আসেন সাবেক এই কর্মকর্তা মোঃঅহিদুজ্জামান। তারই আপন ভাই বরকতউল্লাহ মিয়া সাবেক ইউপি সদস্য রাজিহার ইউনিয়ন।তিনি আপন ভাবিকে ইসরাত জাহান কাকলীকে শারিরীক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয়।কাকলী তার স্বামীকে জানালে স্বামী তার ভাইয়ের পক্ষ নেয়।ইসরাত জাহান কাকলীর দেবর,ননদ জামাই জাকির হোসেন খোকন তিনি ও সাবেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মোঃঅহিদুজ্জামান বউ মেয়ে ছেলে নাতি নাতনি আছে এখন সে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। কাকলীর দেবর, ননদ জামাই মিলে স্বামীকে দিয়ে কাকলীকে তালাক দেওয়ার জন্য পায়তারা করিতেছে। এতে কাকলীর জীবন যেমন দুরবীসহ হয়ে পরছে। তেমনি করে দুই মেয়ের সংসারে কলহের সৃষ্টি হচ্ছে।দীর্ঘ এক বছর যাবৎ কাকলীর ভরনপোষন দিচ্ছে না তার স্বামী ।অসহয় এই নারী আজ বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহযোগিতা প্রার্থনা করে।ইসরাত জাহান কাকলী স্বামী মেয়ে ছেলে নাতি নাতনিদের নিয়ে সাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :