
পটুয়াখালীর বাউফলে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার বাউফল প্রতিনিধি মোঃ তরিকুল ইসলাম (মোস্তফা)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদায়ী ইউএনও আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব পটুয়াখালীর আহ্বায়ক এম নাজিমুদ্দিন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, মাই টিভির প্রতিনিধি ওহিদুজ্জামান ডিউক ও সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি এম জাফরানসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
ইউএনও আমিনুল ইসলামের বক্তব্য
বিদায়ী ইউএনও বলেন,
বদলি সরকারি চাকরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দায়িত্ব যেখানে দেওয়া হয়, সেখানেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। বাউফলে কাজ করার সময় মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমার হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।
তিনি আরও বলেন,
“সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। সাংবাদিকদের গঠনমূলক সমালোচনা প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং উন্নতির পথ তৈরি করে—এটা আমি সবসময় বিশ্বাস করি।”
সাংবাদিক নেতাদের মতামত
প্রেস ক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারা বলেন,
দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রতি ছিলেন সহযোগী ও সহানুভূতিশীল।
তথ্যপ্রদান, দায়িত্ববোধ ও গণমাধ্যমবান্ধব আচরণে তিনি ছিলেন ইতিবাচক উদাহরণ।
বৃহৎ জনপদ বাউফলে তিনি নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সভাপতির বক্তব্য
সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক মোঃ তরিকুল ইসলাম মোস্তফা বলেন,
“আমিনুল ইসলাম শুধু একজন ইউএনও নন—তিনি ছিলেন সাংবাদিকদের আপনজন। তথ্যপ্রাপ্তি ও পেশাগত কাজকে তিনি সহজ করেছেন। বাউফলের সাংবাদিক সমাজ তাঁর অবদান স্মরণ রাখবে।”
স্মারক প্রদান
অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকরা বিদায়ী ইউএনও আমিনুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। বিদায়ী ইউএনও সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতের জন্য দোয়া কামনা করেন।
আপনার মতামত লিখুন :