জকসুতে পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে লড়বেন ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সোহাগ | Daily AjKaler Kontho

জকসুতে পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে লড়বেন ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সোহাগ


জবি প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ৯:২৮ অপরাহ্ন
জকসুতে পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে লড়বেন ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সোহাগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়েছে। ক্যাম্পাসে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে প্রচারণা। নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সোহাগ আহমেদ।

জানা গেছে, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন সোহাগ আহমেদ। সোহাগ আহমেদ বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের শিক্ষা ও এইচআরএম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন।

তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার ৮নং বরকইট ইউনিয়নের ২নং পিহর গ্রামে।

জানা যায়, ৫ আগস্ট পরবর্তী জবির লং মার্চ টু যমুনা আন্দোলন, সচিবালয় ঘেরাও আন্দোলন, জবি সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে ভূমিকা পালন করেন।

আলাপকালে সোহাগ আহমেদ বলেন, ” জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারির একজন যোদ্ধা ছিলাম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই আন্দোলনের একজন সংগঠক ছিলাম। ০৫ আগস্ট পরবর্তী জবির সকল আন্দোলন সংগ্রামে সরাসরি অংশ সহ নেতৃত্ব দিয়েছি।

এছাড়া বলেন, “০৩ দফা দাবীতে অনশন, সচিবালয় আন্দোলন, লং মার্চ টু যুমনা আন্দোলনসহ জবিয়ানদের সকল আন্দোলনে সরাসরি সংগঠকের দায়িত্ব পালন করি। তাছাড়া ইসলামি ছাত্রশিবিরের সকল শিক্ষার্থী বান্ধব প্রোগ্রামগুলোতে দায়িত্ব পালন করি।”

নিজের যোগ্যতা ও পদের সামঞ্জস্যতা সম্পর্কে তিনি বলেন,” আমি অতীতে শিবিরের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলাম। বর্তমানে আমি শিক্ষা ও এইচআরএম সম্পাদক। যেহেতু সাহিত্য, প্রকাশনা নিয়ে আমি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করছি। তাই আমি মনে করি আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে নিজেকে যোগ্য মনে করছি। ”

তিনি বলেন,” আমার মূল কনর্সানের জায়গা হবে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও উন্মুক্ত লাইব্রেরি নিয়ে। এগুলার আধুনিকায়ন ও বর্ধিতকরণে আমার জোরালো ভুমিকা থাকবে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিপার্টমেন্টের সেমিনার রুমের সংস্কার ও পর্যাপ্ত বইয়ের ব্যবস্থা করা হবে আমার কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কেদ্রীয় পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে আমার জোরালো কাজ থাকবে এবং পর্যাপ্ত সাহিত্যের সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হবে।”