বাউফলে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আলোচনা সভা। | Daily AjKaler Kontho

বাউফলে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আলোচনা সভা।


বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ন
বাউফলে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আলোচনা সভা।

পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি—৯ম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ৩টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন, বাউফল শাখা এ সভার আয়োজন করে।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খায়ের আহমেদ মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন মুন্সী।

এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষা সমিতির বাউফল শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সমিতির সভাপতি মো. ফিরোজ খান, জমিয়াতুল মোদারেছিন বাউফল শাখার সভাপতি মাওলানা সৈয়দ মো. আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
প্রধান অতিথি খায়ের আহমেদ মজুমদার বলেন,

“সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। যৌক্তিক দাবিতে কোনো টালবাহানা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে কোথাও অদৃশ্য শক্তি বাধা হয়ে দাঁড়ালে তা দূর করতে হবে।”

প্রধান বক্তা আব্দুল মালেক বলেন,
“আমরা টিফিন ভাতা চাই না—চাই লাঞ্চ ভাতা। দেশে ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী আছেন; তাঁদের সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকে একসময় সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল, তবে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই তিনি পুনর্বহাল হয়েছেন।

বক্তারা জানান, ন্যূনতম বেতন পুনর্বিন্যাস, মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি, পেনশন সুবিধা প্রসার, পদোন্নতি কাঠামোর আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন দাবি দীর্ঘদিনের। তাই ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়সাপেক্ষ নয়, বরং অপরিহার্য। এ–সংক্রান্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির আলোচনার অগ্রগতির কথাও সভায় তুলে ধরা হয়।
সভায় বাউফল উপজেলা শাখার সদস্যরা স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যাবলি ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি উপস্থাপন করেন। পরে এসব প্রস্তাব লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতিতে এ আলোচনা সভা কর্মচারীদের আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে।