
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার আলাউদ্দিন মুন্সির মোড়ে অবস্থিত মাছের আড়তে নি:রবে চাঁদাবাজির অভিযোগে লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কমিশনার মিলু শরীফকে জড়িয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফ।
মঙ্গলবার(৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লোহাগড়া পৌর বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বক্তব্যে মিলু শরীফ জানান, আমার চাচাতো ভাই লোহাগড়ার বাসিন্দা রাবু শরীফ পৌরসভার হাট-বাজার সংলগ্ন মাছের বাজার টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারাপ্রাপ্ত হন। তিনি সরকারী ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে ২০লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে খাজনা আদায় করতে জনৈক ইকলাচকে নিযুক্ত করেন।
সম্প্রতি আমার ভাই রাবু শরীফ মারা যাওয়ার পর সমস্ত মৎস্য ব্যবসায়ীরা সাবেক কমিশনার শাহাদত শিকদারকে সাথে নিয়ে এ ব্যাপারে আমার সাথে কথা বলেন। এক পর্যায়ে মৎস্য ব্যবসায়ীরা চুক্তিকৃত টাকা পৌরসভায় দিয়ে ব্যবসা করবেন বলে জানান।
সে মোতাবেক মিলু শরীফ, শাহাদত শিকদারসহ মৎস্য ব্যবসায়ী বিকাশ বিশ্বাস, কৃঞ্চ বিশ্বাস,
সঞ্জয় বিশ্বাসহ আরো অনেকে উপস্থিত থেকে উক্ত টাকা পর্যায়ক্রমে জমা দেন। এখানে মিলু শরীফের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই, এমনকি চাঁদাবাজির যে অভিযোগ উঠেছে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি দাবী করেন, কতিপয় কুচক্রি মহল তার ভাবমুর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন করতে পতিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সহায়তায় কিছু সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও ভীক্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে।
এ ব্যাপারে লোহাগড়া পৌরসভার সচিব তৌফিকুর রহমান জানান, বিগত দিনে আলাউদ্দিন মুন্সির মোড়ে অবস্থিত মাছের আড়ত পৌরসভার হাট-বাজার টেন্ডারের অন্তভুক্ত করে ইজারা দেওয়া হত । এ বছরও টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং চুক্তিকৃত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
আলাউদ্দিন মুন্সির মোড়ের মৎস্য ব্যবসায়ী বিকাশ বিশ্বাস, কৃঞ্চ বিশ্বাস, সঞ্জয় ও তাপস বিশ্বাস চাঁদার বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিক্তিহীন দাবী করে বলেন,সাবেক কমিশনার শাহাদত শিকদার ও মিলু শরীফের সহায়তায় আমরা ব্যবসায়ীরা ইজারাকৃত টাকা জমা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। এখানে চাঁদাবাজীর কোন ঘটনা ঘটেনি।
আজকালের কন্ঠ/আর বি/জে
আপনার মতামত লিখুন :