অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাইভেট শিক্ষক হৃদয় বসত ঘরে ঢুকে সামিরাকে ডেকে নিয়ে আসে এবং মুখ চেপে ধরে টেনে-হিঁচড়ে দরজার বাইরে নিয়ে যায়। এরপর শাফায়েত ও মারুফের সহযোগিতায় জোরপূর্বক সামিরাকে সিএনজিতে তুলে দ্রুত উত্তর দিকে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও এখনো সামিরার কোনো সন্ধান পাননি।
এ বিষয়ে শাখাওয়াত হোসেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি তার মেয়েকে উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জা
নিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :