সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ৬ আগস্ট তৎকালীন নাটোরের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের বাসভবন জান্নাতি প্যালেস থেকে শহীদ মেহেদি হাসান রবিন, মিকদাদ হোসেন খান আকিব, শরিফুল ইসলাম মোহন এবং ইয়াসিন আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করেন।
শহীদ পরিবারের অভিযোগ, এসব মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীদের বাঁচাতে একটি মহল অপতৎপরতা চালাচ্ছে এবং তাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তবে তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন চার শহীদের পরিবারকে গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুযোগ–সুবিধা দিয়ে আসছে। তাই আওয়ামী লীগ নেতাদের বাঁচাতে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, তা প্রতিহত করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত ‘আগুনে পুড়ে যাওয়ারা শহীদ নয়’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে নাটোরের চার শহীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের প্রতিবাদেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মেহেদি হাসান রবিনের সহধর্মিণী ওয়াহিদা হাসান, মিকদাদ হোসেন খান আকিবের পিতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খানসহ নিহতদের স্বজনরা।
আপনার মতামত লিখুন :