বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল ইউনিয়নে ব্যবসায়ীর উপর হামলা প্রায় চার লক্ষ টাকা লুট | Daily AjKaler Kontho

বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল ইউনিয়নে ব্যবসায়ীর উপর হামলা প্রায় চার লক্ষ টাকা লুট


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুন ১৬, ২০২৫, ৪:৩৭ অপরাহ্ন
বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল ইউনিয়নে ব্যবসায়ীর উপর হামলা প্রায় চার লক্ষ টাকা লুট

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি : বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড গোমা বাজারের গুলজার হোটেল এন্ড মিষ্টি ভান্ডার এর মালিক মোঃ গুলজার শরিফ কে মারধর ও ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে সোহরাব খান বাহিনীর বিরুদ্ধে ।

সূত্রে জানা, যায় উপজেলার ৪নং দুধাল ইউনিয়নের পিলখানা এলাকায় নাজেম খানের বসত বাড়ির সামনে সকাল ৬;৩০ সে সময় মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি ঘটনাটি ঘটায়। চক্রটি তার কাছ থেকে নগদ ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা হাইজ্যাক/ছিনতাই করে ছিনিয়ে নেয় এবং ভুক্তভোগী গুলজার শরীফ কে মারধর করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায় ।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও অভিযোগের বাদী মৃতঃ কাঞ্চন শরীফের পুত্র গুলজার শরীফ জানান তার বোমা বাজারে বড় একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে ঈদ বাজারে তার দোকানের ৫-৬ দিনের বেচাকেনা টাকা বাসায় গচ্ছিত রাখেন। সোহরাব খান ও তার সঙ্গবদ্ধ চক্র গুলজার শরীফের যাতায়াতের সময়
পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থেকে তার ভাড়া করা মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে,তার কাছে থাকা টাকার ব্যাক চাইলে ভুক্তভোগী টাকার ব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানান এতে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রবীয়ে বেদারক মারপিট করেন ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় ।এ সময় গুলজার শরীফের আত্মচিৎকারে স্থানীয় ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে ভুক্তভোগী অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী আরো জানান তার কাছে থাকার নগদ ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা হাইজ্যাক করে নিয়েছে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রবর্তী। হাইজাকারদের হামলায় গুলজার শরীফের একটি দাঁত পড়ে গেছে এবং নাক সহ শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ ফুলা ও রক্তাক্ত যখন হয়েছেন।
হাইজ্যাক ও হামলায় ১০ থেকে ১২ জন অংশগ্রহণ করলেও গুলজার শরীফ সনাক্ত করেন তারা হলেন।

মোঃসাহাবুদ্দিন খান। পিতা মোঃ সোহরাব খান
মোঃ সোহরাব খান
পিতাঃ মৃতঃ তোলফে আলী খান
মোঃ সাইফুল খান
পিতাঃ মোঃ কামাল খান
মোঃ নূর ইসলাম বাদল
পিতাঃমোঃ নূরমোহাম্মদ খান
মোঃতপু খান
পিতাঃ মোঃ আনসার আলী খান

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গুলজার শরীফ বাকরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ইব্রাহিম নামে স্থানীয় এক জামাতা সংবাদ মাধ্যমকে জানান তিনি রাস্তা বের হয়ে ভুক্তভোগী গুলজার সাহেবের মোটরসাইকেল আটকে তার উপর হামলা ও তার ব্যাগ ছিনিয়ে নিতে দেখেন এ সময় তিনি ডাক চিৎকার দিলে বিবাদীরা গুলজার শরীফ কে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন খানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলেও তার সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার মোঃ আবুল কালাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান ঘটনাটি শুনেছি থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে তদন্ত-পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।