মোহনগঞ্জে ছাত্রীকে ধ'র্ষ'ণের দায়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ'ভিযোগ। | Daily AjKaler Kontho

মোহনগঞ্জে ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের দায়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ’ভিযোগ।


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : মে ২২, ২০২৫, ৭:৩৯ অপরাহ্ন
মোহনগঞ্জে ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের দায়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অ’ভিযোগ।

সুশীল আচার্য্য, নেত্রকেনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনা মোহনগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে সানোয়ারুল ইসলাম (২৬) নামেএক স্কুল শিক্ষকের নামে মামলা হয়েছে ্তিনি করাচাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। যটনার পর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পলাতক আছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। অভিযুক্ত শিক্ষক সানোয়ার উপজেলার কয়রা পাড়া গ্রামের বাসিন্দার আট নয় মাস আগে করাচাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন সহকারী শিক্ষক হিসাবে।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড় উঠে শিক্ষক সানোয়ারুলের। বিষয়টি শারিরিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। সপ্তাহ খানেক আগে ওই ছাত্রীকে নিয়ে মোহনগঞ্জ শহরের শিশুপার্ক এলাকায় ঘুরতে আসেন তিনি। তাদের অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা লোকজনের নজরে এলে এলাকার লোকজন তাদের আটক করে। পরে আলোচনা সাপেক্ষে একপর্যায়ে তারা ছাড়া পান।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে সানোয়ারুলকে বিয়ের চাপ দেয় ওই ছাত্রী। কিন্তু সানোয়ারুল বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী বাদী হয়ে সানোয়ারুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করে। তদন্ত করে ১৮ মে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। তবে মামলার পরপরই অসুস্থতা কারণ দেখিয়ে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে পালিয়ে যান সানোয়ারুল।

করাচাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে ১৯ মে থেকে স্কুলে আসেননি সানোয়ারুল। পরে শিক্ষা অফিসে কল করে জানতে পারি তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি নিয়ে গেছেন। ৩১ মে পর্যন্ত তার ছুটি রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি নিয়েছেন সহকারী শিক্ষক সানোয়ারুল। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র জমা দিলে তো আমাদের কিছু করার থাকে না। তবে এ সংক্রান্ত কাগজের একটি কপি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে থাকার কথা।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, একাধিকবার ধর্ষণের তথ্য প্রমাণসহ মামলা দিয়েছে ওই মেয়ে। মামলার পর ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালনো হয়েছে। একবার ঢাকায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান। যেখানেই থাকুক তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এদিকে ভুক্তভোগী মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।