কেন্দুয়ায় বেদখল হওয়া বাড়ি ফিরে পেল বিএনপির নেতার হস্তক্ষেপে। | Daily AjKaler Kontho

কেন্দুয়ায় বেদখল হওয়া বাড়ি ফিরে পেল বিএনপির নেতার হস্তক্ষেপে।


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : মে ১৮, ২০২৫, ৫:২৮ অপরাহ্ন
কেন্দুয়ায় বেদখল হওয়া বাড়ি ফিরে পেল বিএনপির নেতার হস্তক্ষেপে।

সুশীল আচার্য্য, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকা বাড়িটি স্থানীয় বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে বাড়ি ফিরে পেলেন মালিক।

রবিবার (১৮ মে) এ তথ্য জানান বাড়ির মালিকের ছেলে মুফতি ফাহিম বিল্লাহ হাশিমী। এরআগের দিন শনিবার বিকেলে কেন্দুয়া পৌরসভার সাউদপাড়া মোড় সংলগ্ন ওই বাড়িতে প্রবেশ করে দখল বুঝে নেন।

মুফতি ফাহিম বিল্লাহ হাশিমী জানান, ১৯৯৭ সালে আমার মায়ের নামে এই বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। পরে বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়। কিন্তু এক পর্যায়ে স্থানীয় সিরাজ মিয়া ও তার ছেলেরা, আঠারবাড়ীর বাবুলসহ একটি প্রভাবশালী চক্র ভুয়া দলিল তৈরি করে বাড়িটি জোরপূর্বক দখলে নেয়। সে সময় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ ও পৌরসভার একজন মেয়রেরও সহায়তা ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা চেষ্টা করেও বাড়িটি ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়নি। দখলদারদের বিরুদ্ধে কথা বললেই হুমকি-ধামকি দেওয়া হতো। তবে সম্প্রতি জনপ্রিয় নেতা ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর আন্তরিক প্রচেষ্টা, উপজেলা বিএনপি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় আলোচনার মাধ্যমে বাড়িটি বুঝে পাই। এতে আমি ও আমার পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। কারণ আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

বাড়ি ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়ায় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন হয়েছে এমন গুজবের প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি আরও বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং ড. হিলালী সাহেব তাঁর নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। একজন আলেম ও কর্মকর্তার পরিবারের সঙ্গে কোনো অন্যায় যেন না করা হয়।

এ সময় তার সাথে ছিলেন মুফতি ফাহিম বিল্লাহ হাশিমীর ভাই মুফতি নাঈম বিল্লাহ হাশিমী, চাচাতো ভাই পলাশ ভূঞা ও গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত ১০ মে দুপুরে বাড়িটি বুঝে নিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত আট জন আহত হন। এ ঘটনায় মুফতি নাঈম বিল্লাহ হাশিমী বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় আটজনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি কীভাবে আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা তা নিয়ে তারা পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান মুফতি ফাহিম বিল্লাহ হাশিমী।