আগৈলঝাড়ায় সার্টিফিকেট সহকারীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ | Daily AjKaler Kontho

আগৈলঝাড়ায় সার্টিফিকেট সহকারীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৭, ২০২৫, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
আগৈলঝাড়ায় সার্টিফিকেট সহকারীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি:বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের অফিস সহায়ক পদের দুই জনের স্বাক্ষর জাল করে মোবাইল কোর্টের বিল উত্তোলন করার অভিযোগ ওই অফিসের সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে।

এঘটনায় তার বিরুদ্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমানকে বাবুগঞ্জ উপজেলায় বদলি করা হলেও প্রভাব খাটিয়ে আগৈলঝাড়া রয়ে যান।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের অফিস সহায়ক পদে মো. আমির আলী ও মোসাঃ বিলকিছ আক্তার দীর্ঘদিন ধরে চাকুরী করে আসছে।

চাকুরীর সুবাদে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ডে যান। মোবাইল কোর্টে যাওয়ার জন্য সরকারী ভাবে প্রতিটি অভিযানে তাদের জন্য ৫শত টাকা সরকারী বরাদ্দ রয়েছে। ওই বরাদ্দের টাকা তিন মাস পরপর ৮ হাজার ৫শত টাকা করে অফিস সহায়ক দুইজনকে দেয়ার কথা থাকলে অফিসের সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমান তাদের জাল স্বাক্ষর করে ৮ বছর ধরে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন।

এই ঘটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিনের কাছে অফিস সহায়ক দুইজন অভিযোগ করলেও সে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকের বিরুদ্ধে।সার্টিফিকেট সহকারী মো. সিদ্দিকুর রহমান অফিসের সকল কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচারণ করে।

সে বার বার নিজেকে বলে আমি ইউএনওর পরের ক্ষমতাধর ব্যক্তি। সে নিজের দোষকে গোপন রেখে অন্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানী করে বলে অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়েছে। সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমানকে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর বাবুগঞ্জ উপজেলায় বদলি করা হলেও প্রভাব খাটিয়ে আগৈলঝাড়া রয়ে যান।

এঘটনায় ২৫ মার্চ আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসের সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে অফিস সহায়ক মো. আমির আলী ও মোসাঃ বিলকিছ আক্তার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সার্টিফিকেট সহকারী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিল করে মোবাইল কোর্ডের টাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়। সে টাকা কি করে আমার জানা নেই। তার নির্দেশে আমি কাজ করি। এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।