
নিজস্ব প্রতিবেদক খান মেহেদী :বাকেরগঞ্জের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ঢাকা কুয়াকাটা মহাসড়ক। অপর আরেক প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে মহাসড়ক হয়ে বরগুনা আঞ্চলিক সড়ক। ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলার প্রধান শহরের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে ঢাকা কুয়াকাটা মহাসড়ক। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার হলেও এই উপজেলা এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি বাস স্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি।
মহাসড়কের উপর দাঁড়িয়ে থেকেই যাত্রীরা প্রতিদিন জেলা আন্ত: জেলা যাত্রীবাহী বাসে উঠানামা করেন। চালকেরা মহাসড়কের মধ্যেই বাস গাড়িগুলো দাঁড় করিয়ে যাত্রীদের ওঠানামা করাতে গিয়ে প্রায় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এছাড়াও পৌর শহরের প্রবেশপথে ও মহাসড়কের উপর থ্রি হুইলারের স্ট্যান্ড বানিয়ে রাখায় সড়কে যানজট সহ দুর্ঘটনা লেগেই আছে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন, উচ্চ আদালতের রায়,পুলিশের অভিযান কিছুই কাজে আসছে না। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে চলছে ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান, নছিমন-করিমন ও ভটভটির মতো যানবাহন। এক-চতুর্থাংশের বেশি দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এসব যানবাহনের। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহাসড়কে চলছে অটোরিকশাও। দ্রুতগতির গাড়ির সঙ্গে একই সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলায় সড়ক দুর্ঘটনাও দিন দিন বেড়েই চলছে।
মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অস্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে তিন চাকার ইঞ্জিন চালিত রিকশা-ভ্যানের স্ট্যান্ড। কোন ধরনের নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করেই জেলা ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশের আঙ্গিনার সামনে দিয়ে দেদারসে চলাচল করছে এসব রিকশা-ভ্যান। এতে করে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। এসব বিষয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশের উদাসিনতাকে দায়ী করছে মহাসড়কে পরিবহন চালকসহ সংশ্লিষ্টরা।
খুব দ্রুত মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের আহ্বান জানান ঢাকা কুয়াকাটা মহাসড়কে চলাচলকারী পরিবহন চালকেরা।স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন মহাসড়ক থেকে থ্রি হুইলারের স্ট্যান্ড তুলে নিয়ে বাকেরগঞ্জে বাস স্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণের।
আপনার মতামত লিখুন :