
বায়েজিদ আহমেদ জোনায়েত : গত সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।এতে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পিয়াল হাসান ও সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো: মিল্লাত হোসেন।
ছাত্রদলের পকেট কমিটির বিরুদ্বে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল। অর্থ দিয়ে কমিটি মানি না, মানবো না।❝আমাদের ক্যাম্পাস, আমরাই থাকবো।❞ ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করায়। এর কিছুক্ষন পর সন্ধ্যায় তারা কলেজের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন শাখা ছাত্রদলের পদ বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
স্লোগানে বলেন, টাকা দিয়ে কমিটি মানি না মানবো না ,তারেক রহমানের ছাত্রদলে বৈষ্যমের ঠাঁই নাই,পকেট কমিটি মানি না মানবো না। অ্যাকশন টু অ্যাকশন ডাইরেক অ্যাকশন। তাজবিউল হাসান ও শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের পদ-বঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ করো।স্লোগানে স্লোগান ফুষে উঠে পুরো ক্যাম্পাস। সময় বিক্ষিপ্তকারীদের কে ছত্রভঙ্গ করার লক্ষ্যে ককটেল নিক্ষেপ করে দুরবিত্তরা।কেন্দ্রীয় সভাপতি-সেক্রেটারিকে দায়ী করলেন পদবঞ্চিতরা।

ঢাকা কলেজের সামনে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ছাত্রদলের পদবঞ্চিত একটি অংশ এই ঘটনার জন্য সরাসরি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়ী করেছেন।
তাদের দাবি, নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং পদবঞ্চিতদের দাবিকে উপেক্ষা করার ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে। তারা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সংগঠনের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করছে। পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ বন্ধ করতে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতা ও তাদের অনুসারীদের দুষছেন তারা।
কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক জামিল দাবি বলেন, আমাদের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ বন্ধ করতে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় নেতা রাকিব এবং নাসির ও তাদের অনুসারীদের দুষছেন তারা।
কোন স্বৈরাচার কে হটিয়ে নব্য কোন স্বৈরাচারকে আজকের বাংলাদেশের ঠাই দেওয়া হবে না। ক্যাম্পাসে শিক্ষা সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা সুশৃংখল এবং ঐক্যবদ্ধ।
আপনার মতামত লিখুন :